• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন |

সৈয়দপুর কলেজের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

mamlaসিসি ডেস্ক: সৈয়দপুর কলেজ পরিচালনা পরিষদে (গভর্নিংবডি) অবৈধভাবে শিক্ষক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার কলেজের উপাধ্যক্ষ নাজির বানু ও প্রদর্শক গোলাম রুবায়েত মামলা করেন। এ ব্যাপারে আদালত কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদান করেছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গভর্নিং বডিতে শিক্ষক প্রতিনিধি শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবেন। কিন্তু সৈয়দপুর কলেজে তা না করে গত ২৫ জুন শিক্ষকদের এক সাধারণ সভায় তিন সদস্যের নির্দিষ্ট ৩ জন প্রতিনিধিকে বাছাইয়ের প্রস্তাব দেন অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান। এতে আপত্তি তোলেন শিক্ষকরা। তারা নির্বাচনের দাবি করেন। ফলে পরের দিন ২৬ জুন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল মোতাবেক ২৯ জুন ৪ জন পুরুষ শিক্ষক ও ১ জন নারী শিক্ষক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ৫শ টাকার বিনিময়ে সংগ্রহীত মনোনয়নপত্র পরদিন নির্ধারিত সময় বেলা ২টার মধ্যে জমা করেন। কিন্তু ওই দিন বিকালে অধ্যক্ষ কলেজ বন্ধের কথা বলে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে আরজিতে বলা হয়েছে, কলেজ বন্ধের কারণ সঠিক হলে নিশ্চয় তিনি ওই দিন মনোনয়নপত্র বিক্রি করতেন না বা জমা নিতেন না। কারণ আগের দিন ২৮ জুন অধ্যক্ষ কলেজ বন্ধের নোটিশ দেন। অভিযোগ, অধ্যক্ষের মনোপুত শিক্ষক মনোনয়নপত্র জমা না দেয়ায় তিনি নির্বাচন স্থগিত করেন। মামলার আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিধি মোতাবেক নারী শিক্ষক ১ জন হওয়ায় তাকে নির্বাচিত ঘোষণার এবং বাকি ২ জন পুরুষ প্রতিনিধির জন্য নির্বাচনের আয়োজন করার কথা। কিন্তু তা না করে দীর্ঘদিন চুপচাপ থেকে হঠাৎ করে ৩০ আগস্টের তারিখ দিয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর ৩ জন শিক্ষককে ২৫ জুনের শিক্ষকদের সভার সিদ্ধান্ত দেখিয়ে নির্বাচিত ঘোষণার এক অফিস আদেশ দেন। এটি অধ্যক্ষ ষড়যন্ত্র করে অবৈধভাবে করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। মামলায় আরও বলা হয়, নারী শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে যাকে নির্বাচিত বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে তিনি কোন মনোনয়নপত্র জমা করেননি। এছাড়াও বিধি মোতাবেক সমঝোতার কোন সুযোগ নেই, প্রতিনিধি বাছাই করতে হবে গোপন ব্যালটে। এ ব্যাপারে নীলফামারীস্থ সৈয়দপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. হাবিবুর রহমান ১০ দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদান করেছেন। উৎস: করতোয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ