• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন |

পাঁচ সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত

Freedomঢাকা : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় স্বাস্থ্যসচিব নিয়াজ উদ্দিন মিঞাসহ চার সচিব ও একজন যুগ্ম সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার মুক্তিযুদ্ধ ও জনপ্রশাসনবিষয়ক মন্ত্রণালয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকার) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকার) সিদ্ধান্ত ছাড়া যারা সনদ গ্রহণ করেছে তাদের সনদও বাতিল করা হবে।
এর আগে দুদক এই পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। এই সনদ নেওয়ার প্রক্রিয়ায় যে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, দুদকের তদন্তে তার সত্যতা মিলেছে।
গত সোমবার দুদকের পক্ষ থেকে এই সুপারিশ করে জনপ্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। অভিযোগ ওঠা সচিবেরা হলেন সদ্য ওএসডি হওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সচিব এ কে এম আমির হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান (বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় বেসরকারীকরণ কমিশনের চেয়্যারম্যান) এবং মুক্তিযুদ্ধবিষযক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ওএসডি) আবুল কাসেম তালুকদার।
জামুকার বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এই পাঁচ সচিবের মধ্যে তিনজনই তাদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া নয় এই মর্মে রিভিউ আবেদন করেননি।
এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী রিভিউ আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তার আবেদনটি ক্রুটিযুক্ত বলে খারিজ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সচিব এ কে এম আমির হোসেনের রিভিউ আবেদনটিও খারিজ করা হয়েছে। তিনি একবারেই চারটি ধাপ অতিক্রম করে সনদ নিয়েছিলেন বলে জানানো হয়।
জামুকার বৈঠকে জানানো হয়, এক লাখ ৫৬ হাজার লাল তালিকাভুক্ত বৈধ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তারা ভাতা পাবেন।
আর ৪৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সনদ স্থগিত করা হয়েছে। তারা আন্ডার টেকার হিসেবে ভাতা পাবেন। পরে ভুয়া প্রমাণিত হলে তাদেরকে ভাতা ফেরত দিতে হবে।  এতে আরো জানানো হয়, আগামী ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ