আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে থামাতে এবং রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ শুরু করেছে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো। রোববার এ কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্যালেরি হেলেতি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর ওয়েলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর সম্মেলনে তিনি এর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সমরাস্ত্র সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। ন্যাটো কর্মকর্তারা জানান, সদস্য না হওয়ায় ইউক্রেনকে মারণাস্ত্র সহায়তা দিতে পারবে না ন্যাটো, কিন্তু কোনো সদস্য দেশ চাইলে তা দিতে পারে। ইউক্রেনের অস্ত্র দরকার- এ কথা জানিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেলেতি বলেন, যেসব অস্ত্র আমাদের এখন প্রয়োজন, তার জন্য গণমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আমরা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এসব অস্ত্র পুতিনকে থামাতে পারবে। তিনি আরও বলেন, চুক্তি করা কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের নাম প্রকাশ করার অধিকার আমার নেই। অস্ত্রগুলো এখন আমাদের দেশের পথে রয়েছে- এটি পুরোপুরি সত্য। আমি দাফতরিকভাবে আপনাদের জানাচ্ছি। এ মুহূর্তে ইউক্রেনে ৩ হাজার ৫০০ রুশ সেনা রয়েছে অভিযোগ করে হেলেতি বলেন, আরও ২৫ হাজার রুশ সেনা যৌথ সীমান্তের ওপাশে রাশিয়ার এলাকায় জমায়েত হয়েছে। এদিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের সহায়তায় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ সেনা ও ট্যাঙ্ক পাঠানোর পশ্চিমা দেশগুলো এবং কিয়েভের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। সুত্র: বিবিসি