কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আমন ক্ষেতে মাজড়া পোকার আক্রমণে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পরেছেন। একাধিক বার কীটনাশক স্প্রে করেও কোন ফল পচ্ছেনা কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে,এবারে ১৪ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। অর্জিত হয় ১৫ হাজার ৫ হেক্টর।
এরমধ্যে হাইব্রিড ৯০৫ হেক্টর,উপশি ১৩ হাজার ৮৪৬ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১৪৪ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়। এছাড়াও উচু ৫শ হেক্টর জমিতে আগাম বিভিন্ন প্রজাতির ধানের চাষ করা হয়।
চাঁদখানা ইউনিয়নের নগরবন্দ গ্রামের আমন চাষী মোজা মামুদ (৬০) জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করেছে। এর মধ্যে ৩ বিঘা হাইব্রিড ও ৩ বিঘা স্থানীয় জাতের।কিন্তু হাইব্রিড জাতের চারাগুেেলাতে মাজড়া পোকা আক্রমণ করেছে বেশী। তিনি কয়েকবার কীটনাশক স্প্রে করেছেন। কোন ফল পাচ্ছেন না। কিশোরগঞ্জ সদরের জয়নাল হোসেন (৫০) জানান,তিনি ২বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছেন। রোয়া রোপনের পর চারাগুলো লকলক করে বেড়ে উঠছিল। হঠাৎ মাজড়া পোকার আক্রমণ করে রোয়া ক্ষেতে। ফলে চারার পাতা গুলো হলুদ বর্ণ ধারন করেছে। কীটনাশক বিক্রেতাদের পরামর্শে কয়েকবার কীটনাশক স্প্রে করেছি কিন্তু তাতেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের কৃষক সিরাজ মিয়া (৩৫) জানান, তার ৩ বিঘার জমির সব রোয়া ক্ষেতে মাজড়া পোকা ধরেছে। চারাগুলোর মাঝখানের ডগা কেটে সাবার করছে পোকা। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন,গত মৌসুেেম আলু চাষাবাদ করে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে ছিলাম। আলুর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একবুক আশা নিয়ে আমন চাষাবাদ করেছি কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি পরেছে।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষিবিদ রেজাউল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, মাঠে মাঠে গিয়ে কৃষকদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেক কৃষক সুফলও পাচ্ছেন। এতে ঘাবরানোর কিছু নাই।