একলাছুর রহমান, বিরামপুর: বিরামপুর উপজেলার পল্লীতে ৩টি হতদরিদ্র পরিবার তহশীলদারকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে না পারায় তাদের বসতবাড়ির নাম খারিজ আবেদন বাতিলের প্রতিবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের একইর গ্রামের হতদরিদ্র তিন পরিবারের প্রধান সাইদ হোসেন, গোলাপ হোসেন ও কচুমদ্দিন সিএস ও এসএ রেকর্ডীয় মালিকের নিকট থেকে যথাক্রমে ৭,৮ ও ৯ শতক জায়গা কিনে বসতঘর নির্মান করে প্রায় ১০ বছর ধরে বসবাস করছেন। চলমান ভূমি জরিপের মাঠ পরচা ও ডিপি খতিয়ান তাদের নামে হয়েছে। উক্ত জমির খাজনা প্রদানের সুবিধার্থে তারা নিজেদের নামজারীর (খারিজ) জন্য ভূমি অফিসে আবেদন করেন। ঐ খারিজ অনুমোদনের জন্য জোতবানী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশীলদার) মোবারক হোসেন তাদের নিকট ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষের টাকা দিতে না পারায় তহশীলদার মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) খারিজ আবেদগুলো না মঞ্জুর করেন। নিরূপায় হতদরিদ্ররা বিষয়টি সহকারী কমিশনারের (ভুমি) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও’র দৃষ্টিগোচর করেন। ইউএনও অভিযোগকারীদের খারিজের আবেদন পুনঃবিবেচনার (রিভিউ) দরখাস্ত দিতে পরামর্শ দেন। এ প্রেক্ষিতে হতদরিদ্ররা রিভিউ আবেদনের পর ঘুষ দাবির সুবিচার চেয়ে ইউএনও’র নিকট গত ২ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত তহশীলদার মোবারক হোসেন ঘুষ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি নাকি ঐ হতদরিদ্রদের চিনেন না। বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মনিরুজ্জামান আল মাসউদ জানান, এব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।