• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

র‌্যাবকে দায়মুক্তি না দিতে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাস

42120_f1সিসি ডেস্ক: বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এ বিষয়ে একটি যৌথ প্রস্তাব পাস হয়েছে। এতে র‌্যাবকে দায়মুক্তি দেয়া বন্ধ করতে বলা হয়। আরও বলা হয়, র‌্যাবের মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা উচিত। এর আগে বাংলাদেশের মানবাধিকারের বিস্তারিত তুলে ধরে বুধবার একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয় ইউরোপীয় পার্লামেন্টে। এতে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটানো। শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করতে বলা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে বহুল আলোচিত সেভেন হত্যা মামলার বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এতে মিডিয়ার স্বাধীনতা মেনে নিয়ে তার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের প্রতি। বলা হয়েছে নতুন সম্প্রচার নীতিমালা বাতিল করতে। গত ৬ই আগস্ট বাংলাদেশ সরকার প্রকাশ করেছে নতুন সম্প্রচার নীতিমালা। এর মাধ্যমে মিডিয়ার স্বাধীনতাকে সীমিত করা হয়েছে। সুশীল সমাজের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে। নতুন নিয়ম করে এনজিওগুলোর ওপর বেশ কিছু বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। জোরালো সমালোচনা আছে যে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলছে না। রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর বিদেশী সংস্থাগুলো যে তদন্ত করেছে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু যে তদন্ত বাংলাদেশ সরকার করেছে তা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। শ্রম আইনের সামান্য সংস্কার হলেও এখনও যারা শ্রমিক ইউনিয়নে যোগ দিতে চান বা ইউনিয়ন গঠন করতে চান তাদেরকে অব্যাহতভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ট্রেড ইউনিয়নের সংগঠকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা অব্যাহত আছে। গত বছর করা শ্রম আইন এখনও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড  থেকে অনেকটা পিছিয়ে। ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টি (পিপিই) গ্রুপ, সোশ্যালিস্ট অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক গ্রুপ (এসঅ্যান্ডডি) গ্রুপ, ইউরোপিয়ান কনজারভেটিভস অ্যান্ড রিফরমিস্ট (ইসিআর) গ্রুপ, এলায়েন্স অব লিবারেল অ্যান্ড ডেমোক্রেটস (এএলডিই) গ্রুপ, ইউরোপিয়ান ইউনাইটেড লেফট-নরডিক গ্রিন লেফট (জিইউই/এনজিএল) গ্রুপ ও দ্য ইউরোপিয়ান ফ্রি এলায়েন্স গ্রিন (ভার্টস/এএলই) গ্রুপ যৌথভাবে বুধবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে গার্মেন্ট কারখানায় বেশ কিছু ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হলো রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি। এতে কমপক্ষে ১১০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর গার্মেন্ট খাতের বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ খাতে সংস্কারের জোর আহ্বান জানায়। এতে নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। বাংলাদেশ সাসটেইন্যেবলিটি কমপ্যাক্টের মাধ্যমে এ কর্মসূচিতে সমর্থন দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ ক্ষেত্রে অনেক অংশীদার জড়িত হওয়ার আগ্রহ দেখায়। ওই প্রস্তাবে গুম সম্পর্কে বলা হয়, বাংলাদেশে গুম অব্যাহত রয়েছে। এতে বেশির ভাগ সময়ই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। সংবিধান, দণ্ডবিধি ও টর্চার অ্যান্ড কাস্টডিয়াল ডেথ (প্রহিবিশন) অ্যাক্টে নিরাপত্তার কথা বলা হলেও বাংলাদেশে নির্যাতন ও অন্যান্য অসদাচরণ বিদ্যমান। মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ রয়েছে। এ বছরের ৫ই জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর প্রতিবাদে যে হরতাল হয় তাতে ব্যাপক সহিংসতা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সুশীল সমাজের অধিকার সীমিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন থেকে ১০ বছর আগে জঙ্গিদের হুমকি থেকে রক্ষা পেতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে গঠন করা হয় র‌্যাব। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে এ বাহিনী গঠিত। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ জবাবদিহির ব্যবস্থা ছাড়াই সেনাবাহিনীর সদস্যদের বেসামরিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় অঙ্গীভূত করা হয়। নিরপেক্ষ মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে, প্রায় ৮০০ হত্যার জন্য দায়ী র‌্যাব। এ জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিচার বা শাস্তি দেয়া হয় নি। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিবিদকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে র‌্যাবের বেশ কিছু সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় কাউকে সাজা দেয়া হয় নি। ৬ই আগস্ট যে নতুন সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে তাতে মিডিয়ার স্বাধীনতাকে সীমিত করা হয়েছে। যেমন রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় আদর্শকে ব্যঙ্গ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য নয় এমন বিষয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে নৈরাজ্য, বিদ্রোহ ও সহিংসতা নিয়ে রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে। এ নীতি বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে সরকার একটি আইনগত সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা করছে। ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে ১৭৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৫তম। এনজিও বিষয়ক নতুন আইনে এনজিওগুলোকে বিদেশী সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে ও তা কিভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে ফরেন ডোনেশন রেগুলেশন অ্যাক্ট। এর ফলে বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো প্রধানমন্ত্রীর অফিসের অধীনে দেখভাল করবে এনজিও অ্যাফেয়ার্স অফিস। প্রকল্প সংক্রান্ত কোন সফরে যেতে হলে আগেভাগে সে বিষয়ে অনুমোদন নিতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল চিটাগাং হিল ট্রাক্টস কমিশনের সমন্বয়ক হানা শামস আহমেদ ও তার এক বন্ধু বান্দরবানের শৈলপ্রপাত  দেখতে সফরে যান। সেখানে তাদের ওপর নৃশংস আক্রমণ করে সম অধিকার আন্দোলনের ৮ থেকে ১০ সদস্য। আক্রান্তদের নিরাপত্তা দেয়ার কথা ছিল পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ৪ সদস্যের। কিন্তু ঘটনার সময় তারা হস্তক্ষেপ করেনি। যখন হামলা হলো তখন তারা অদৃশ্য ছিল। জাতিগত ও ধর্ম সংক্রান্ত সহিংসতা অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করার দায়িত্ব পায়। এ পর্যন্ত তারা ১০টি রায় দিয়েছে। এর মধ্যে ৮ জনকে দেয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ড। ২ জনকে দেয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এক্ষেত্রে প্রথম ফাঁসি দেয়া হয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা আবদুল কাদের মোল্লাকে। এখন বাংলাদেশে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে আছে ১০০০ মানুষ। ওই প্রস্তাবে সরকার যে সব ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে তা-ও তুলে ধরা হয়। বলা হয়, সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এতে কয়েক লাখ নাগরিকের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এসব উন্নয়ন হয়েছে অভ্যন্তরীণ জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই। এর মধ্যে রয়েছে বিএনপি সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর সহিংসতা। ১৫ই সেপ্টেম্বর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক একটি আইন করা হয়েছে। গার্মেন্ট খাতে সংস্কারের কথাও বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করে তাহলে সে ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা দেখানোর নীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। পুলিশ বিষয়ক আইন সংস্কার করা হয়েছে। মূল পুলিশ স্টেশনগুলোতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার খোলা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট ১৬ই সেপ্টেম্বর জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড রহিত করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এমন সিদ্ধান্তকে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট স্বাগত জানায়। যে সব ব্যক্তিকে গুম করে রাখা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যদি গ্রহণযোগ্য অপরাধের অভিযোগ না থাকে তাহলে তাদেরকে অবিলম্বে মুক্ত করে দিতে হবে। যদি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য অপরাধের অভিযোগ থাকে তাহলে অবিলম্বে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করতে হবে। দায়িত্বশীল কর্তৃত্বের বিষয়টি মাথায় রেখে দোষীদের তদন্ত করতে হবে। সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দায়ীদের ন্যায়বিচার করতে হবে। এমন সব মামলা তদন্তে নিরপেক্ষ সংস্থা গঠন করতে হবে বাংলাদেশকে। কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ একটি মানবাধিকার কমিশন গঠন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বনিম্ন শক্তি প্রয়োগ করতে হবে সরকারকে। একই সঙ্গে মেনে চলতে হবে জাতিসংঘের বেসিক প্রিন্সিপালস অন দ্য ইউজ অব ফোর্স অ্যান্ড ফায়ারআর্মস। এতে বেসামরিক ও সরকারি লক্ষ্যবস্তুতে বিরোধী গ্রুপগুলোর হামলায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের। এতে সুপারিশে পুলিশ ও র‌্যাব সহ নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে বলা হয়। র‌্যাবের বিরুদ্ধে বেআইনি যেসব হত্যার অভিযোগ আছে সে বিষয়ে অনুসন্ধান করে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এর মধ্য দিয়ে র‌্যাবকে দেয়া দায়মুক্তি দেয়ার নীতির ইতি ঘটাতে হবে। নারায়ণগঞ্জে বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত র‌্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বছরের এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জ থেকে সাত ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে তাদের বিচার চলছে। এতে আরও বলা হয়, আইনের শাসন ও জনগণের মৌলিক অধিকার, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সংস্কারের জন্য নিরপেক্ষ, পক্ষপাতহীন ও অভিগম্য বিচার ব্যবস্থার প্রতি জোর দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্ট। এতে বলা হয়, বিচার বিভাগ, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা অর্জন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এনজিও বিষয়ক নতুন আইনের বিষয়ে নিরপেক্ষ গ্রুপগুলোর সঙ্গে এ আইনের খসড়া নিয়ে পরামর্শ করতে সরকারের প্রতি সুপারিশ করা হয়েছে। এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, এই আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও আন্তর্জাতিক অধিকারবিষয়ক কনভেনশন মেনে চলে, যাতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। হিন্দু, বৌদ্ধ , খ্রিস্টান ও বিহারি সহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়। বলদিপুকু এলাকায় যে হামলা হয়েছে তার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারকে স্বাগত জানানো হয়েছে। শ্রম আইন নিশ্চিত করতে আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। আহ্বান জানানো হয়েছে, এ সব আইন আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার আইএলও’র মানদণ্ডে সংস্কার করতে। এতে শ্রমিকদের মুক্তভাবে সংগঠিত হতে ও শ্রম ইউনিয়নে যোগ দেয়ার কথা বলা হয়। গার্মেন্ট কারখানায় সংস্কার কর্মসূচিতে সরকার যেসব অ্যাকশন প্ল্যানে সম্মত হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। ডোনার ট্রাস্ট ফান্ডে এ বছরের জুন পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর স্বেচ্ছায় দেয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, স্বেচ্ছা নীতি রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির শিকার ব্যক্তিদের সহায়তায় ব্যর্থ হয়েছে এবং জরুরি ভিত্তিতে অবশ্য পালনীয় কৌশল নিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ