আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): রোববার থেকে ভারি বর্ষন ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও রৌমারীর সীমান্ত এলাকার ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর রোপা আমন। পুকুরের পাড় ভেঙ্গে ভেসে গেছে মাছ চাষীদের অসংখ্য মাছ। ভারী বর্ষনের ফলে ভেঙ্গে গেছে অসংখ্য কাচাঁ বাড়ি।ঢুবে গেছে শাক সবজির বাগান। অধিকাংশ রাস্তা ঘাট তলিয়ে পানি বন্দি হয়েছেন সীমান্ত বাসি। এলাকার তৃনভুমি ঢুবে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পরেছেন চাষীরা। সরে জমিন ঘুরে দেখা রাজিবপুর ও রৌমারীর সীমান্তের বামুনেরচর, বোয়ালমারী, ইজলামারী, বারবান্ধা, চুরিয়ারচর, কলাবাড়ি, বকবান্ধা, নামাপাড়া, যাদুরচর, কাশিয়াবাড়ি, লালকুড়া, শিবেরডাঙ্গী, খেওয়ারচর, আলগারচর, লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বালিয়ামারী, ব্যাপারীপাড়া, পশ্চিমপাড়া, সান্দারপাড়া, মিয়াপাড়া, বাউলপাড়া, লম্বাপাড়া, গড়াইমারী, কড়াইডাঙ্গী পাড়া, চর রাজিবপুর, সরকার পাড়া সহ প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গত ১৫ দিন পুর্বে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পরই রাজিবপুরের কৃষক তাদের গরু-বাছুর বিক্রি করে পুনরায় জমিতে রোপা আমনের চারা রোপন করে ছিলেন । এক রাতের ভারী বর্ষনেই তাদের আশার ফসল পুনরায় ঢলের পানিতে তলিয়ে গেল। গত ৫০ বছরেও এ রকম ভারী বর্ষন হয়নি বলে এলাকার বয়স্করা জানিয়েছেন। সীমান্ত এলাকায় ভারতের প্রায় ২০ পয়েন্ট দিয়ে পাহাড়ী ঢলের পানি প্রবাহিত হচেছ। ফলে উক্ত এলাকার জিনজিরাম নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচেছ। তবে আগামী ২৪ ঘন্টায় এ নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।