• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

টানা বর্ষণ: সৈয়দপুরে লোকসানের কবলে সবজি চাষীরা

DSC07490সিসি নিউজ : জাামায়াত ও ২০ দলীয় জোট বিএনপির ডাকে হরতালে সৈয়দপুরের কাঁচা সব্জির বাজারে তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে পাঁচ দিনের টানা বৃষ্টিতে বির্পযয় নেমে এসেছে এর বাজর দর। বাহিরের ফড়েয়া ব্যবসায়িরা না আসায় অনেক সব্জির বাজার দরের পতন হয়েছে। আবার কৃত্রিম সংকটের অজুহাতে সরবরাহ কমের কারণে বেশিরভাগের মুল্য বেড়েছে। তবে উৎপাদিত সব্জির দর না পেয়ে লোকসানের কবলে পড়েছেন এ জনপদের সব্জি চাষিরা।
সোমবার সৈয়দপুরের নয়াবাজারস্থ এলাকায় একমাত্র পাইকারি সব্জির বাজারটি ঘুরে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র, ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালের দিনেও হাট-বাজারের খুচরা দ্কোানদারদের উপচেপড়া ভীড়। টানা বৃষ্টিতে ভিজেই তারা পাইকারি বাজার ঘুরে প্রয়োজনীয় সব্জি কিনছেন। তবে বাহিরের আমদানি কারকদের চোখে পড়েনি। এতে অনেক সব্জি অবশিষ্ট থাকায় পাইকাররা আর সব্জি কিনছেন না কৃষক কাছ থেকে। এতে উৎপাদিত সব্জি উত্তোলন করে লোকসানের কবলে পড়েছেন কৃষকরা। আর কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে স্থানিয় এলসি ব্যবসায়িরা মজুদকৃত সব্জির বাজার দর বাড়েিয়ছে প্রতি মণে ২ থেকে ৩ শত টাকা।
কাচা সব্জি পাইকারি বাজারের আল্লার দান কমিশন এজেন্ট সৈয়দ মাসুদ জানান, ঈদ ও পুজা উপলক্ষে সৈয়দপুরের এল সি ব্যবসায়িরা যথেষ্ট মজুদ রেখেছে ভারতীয় পিয়াজ, রসুন, শুকনো মরিচ। তাই এ মসল্লা জাতীয় পণ্যের কোন সংকট নেই। তারপরেও হরতাল এবং বৃষ্টির অজুহাতে তারা দর বাড়িয়েছে এ পণ্যগুলোর। আর বাহিরের আমদানিকারকরা হরতালে বন্ধ যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে গত ৪ দিন আসছেনা এ বাজারে। এতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত সব্জির ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।
কৃষকরা জানায়, বতমানে এ উপজেলায় ব্যাপক ভাবে কচু,করলা, বেগুন ,পটল, কাচা মরিচ, বরবটিসহ ১২থেকে ১৩ ধরণের সব্জি আবাদ করেছেন। স্থানিয় ভাবে তেমন দর পান না তারা। এক্ষেত্রে বাহিরের আমদানি কারকরা একমাত্র ভরসা। আর তাদের কাছে সব্জিগুলো বেচে ভালোই দর পাচ্ছিলেন তারা। এতে দিন-দিন সব্জি চাষাবাদে লাভবান হয়েছে অনেক কৃষক। তবে হরতালের পাশাপাশি টানা বর্ষনে শুধু আমদানি কারকরা না আসায় স্থানিয় পাইকাররাও ঝুকি কৃষকদের সব্জি ক্রয়ে কোন আগ্রহ না থাকায় পূর্বের বাজারদর মিলছেনা কৃষকদের। এতে গত তিন দিন ধরে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি ২থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দর কমিয়ে লোকসান করেই উৎপাদিত সব্জি পাইকারদের দিয়ে ঘরে ফিরছেন কৃষকরা।
হরতাল ও বৃষ্টিতে পুর্বের চেয়ে আদা কেজিতে ২০ টাকা ও মজুদকৃত রসুন কেজিতে ২০টাকা,পিয়াজ ১০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছেন পাইকাররা।  আর কোল্ডষ্টোরেজের সংরক্ষিত আলুর দর স্থিতিশীল রয়েছে। শুধু কৃষকদের উৎপাদিত সব্জির বাজার দরের পতন হয়েছে। শষাতে-২০ টাকা, মরিচে ৪০-টাকা, করলাতে-১৫টাকা, বেগুনে-১৫টাকা কেজি প্রতি দাম কমেছে। তাই হরতাল ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে এ লোকসান থেকে কৃষকরা রক্ষা পাবে এবং সব্জি চাষাবাদে তারাও লাভবান হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়িরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ