আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারী গ্রামের পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ সিরাজুলের পরিবারটি ভিটে মাটি ধ্বসে যাওয়ায় রাস্তার পাশে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ২টি ঘরের অধিকাংশ আসবাবপত্র ও ঘরের চালা, খুটিসহ ভিটেবাড়ি পাহাড়ী ঢলের তোড়ে নিমিসেই ধ্বসে দেবে যায়। গত সোমবার রাতে ভারী বর্ষনের ফলে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে প্লাবিত হয় উপজেলার সীমাস্ত এলাকা বালিয়ামারী। সীমাস্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে হু হু করে আসতে থাকে ঢলের পানি। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উক্ত গ্রামের ক্ষুদ্র পানি সম্পদ সংস্থার নির্মিত এফসিডি রাস্তাটি ভেঙ্গে যায়। সাথে সাথে রাস্তার উপরে থাকা ১টি মুদির দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম এর বসতভিটা সহ ২টি থাকার ঘর দেবে যায়। সে রাত থেকেই স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে সিরাজুল রাস্তার পাশে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। অর্থকরী না থাকায় বাড়ি ভিটা নির্মান করে নতুন জায়গায় ঘর তৈরী করার মত সার্মথ্য নেই তার। ধার-দেনা করে যে টুকু আবাদ করেছিলেন তাও সর্বনাশা ঢলের ঘোলা পানিতে ধুয়ে নিয়ে গেছে। সিরাজুলের অভিযোগ এখন পর্যন্ত সরকারী কোন অনুদান তার ভাগ্যে জোটেনি। সামনে ঈদ ছেলে-মেয়ে স্ত্রী পুত্র নিয়ে রাস্তার পাশেই থাকতে হবে । ঈদের আনন্দ তার সংসারে নেই। সে এখন কি করবে, কোথায় গিয়ে বাড়ি-ঘর উঠাবে এই চিন্তা তাকে কুড়েঁ কুড়েঁ খাচেছ।