• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন |

ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন শুরু

image_100053_0অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: প্রথমবারের মতো ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও)  চাঁদা সংগ্রহ শুরু হচ্ছে আজ। এ প্রক্রিয়ায় আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করবে হামিদ ফেব্রিক্স  নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
পাশাপাশি পুরনো পদ্ধতিতেও, অর্থাৎ নির্ধারিত ব্যাংক শাখায় আইপিও শেয়ার কেনার জন্য আবেদন ও চাঁদা জমা দিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।
নতুন প্রক্রিয়ায় আইপিও চাঁদা সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে পরে স্থায়ীভাবে এ পদ্ধতি প্রচলন করা হবে।
ডিএসইর সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের দুর্ভোগ অনেকখানি কমবে।
পাইলট প্রকল্পের অধীনে ডিএসইর ১৭৪টি ও সিএসইর ৭৩টি ব্রোকারেজ হাউস গ্রাহকদের আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করবে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা আবেদন জমা দিতে পারবেন।
ব্রোকারেজ হাউসগুলোর তালিকা ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহের জন্য কিছু ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক নিজস্ব নতুন ফরম ব্যবহার করবে। কোনো কোনো ব্রোকারেজ হাউস অবশ্য প্রচলিত শেয়ার ক্রয়ের আদেশের ফরমের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করবে।
হামিদ ফেব্রিক্স আইপিও প্রক্রিয়ায় মোট তিন কোটি শেয়ার বিক্রি করবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা দরে বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।  ২০০টি শেয়ার নিয়ে প্রতিটি লটের জন্য আবেদন করতে একজন বিনিয়োগকারীকে সাত হাজার টাকা জমা দিতে হবে।
অবশ্য কারো বিও হিসাবে এ পরিমাণ বা আরো বেশি অর্থ জমা থাকলে তাকে নতুন করে অর্থ জমা দিতে হবে না। এ ছাড়া আবেদনকারী ক্ষতিগ্রস্ত/এনআরবি কোটায় আবেদন করতে চাইলে তা উল্লেখ করতে হবে।
কোনো ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংক অনলাইনে আবেদনের সুযোগ রাখলে, গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকে সরাসরি না এসেও আবেদন করতে পারবেন।
আইপিওতে নির্ধারিত লট সংখ্যার চেয়ে বেশি আবেদন জমা হলে  লটারি অনুষ্ঠিত হবে। সে ক্ষেত্রে লটারিতে অকৃতকার্যদের বিও হিসাবে টাকা ফেরত দেয়া হবে।
আইপিও প্রক্রিয়ায় হামিদ ফেব্রিক্স পুঁজিবাজার থেকে মোট ১০৫ কোটি টাকা তুলবে। কোম্পানিটির আইপিও-পূর্ব পরিশোধিত মূলধন ৪৮ কোটি ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আইপিও-পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন বেড়ে ৭৮ কোটি ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।
প্রকাশিত আইপিও প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫ টাকা ৫৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩২ টাকা ২১ পয়সা (সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত) বা ৪৬ টাকা ৭৮ পয়সা (সম্পদ পুনর্মূল্যায়নসহ)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ