সিসি নিউজ : কোরবানীর ঈদ সামনে রেখে সৈয়দপুরসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে গরু ও ছাগলের আমদানী বেড়েছে। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে এসব উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাপ্তাহিক পশুর হাটে ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকী, ক্রেতারা সামর্থ অনুযায়ী পশু কেনার জন্য বিভিন্ন হাট চষে বেড়াচ্ছেন। বিক্রেতারাও কাক্সিক্ষত দাম পাওয়ার আশায় পশু নিয়ে ছুটছেন হাট গুলোতে। ফলে পশুর হাটগুলো বেশ জমে উঠেছে। সৈয়দপুর উপজেলা শ্বাষকান্দর গ্রামে রফিকুল ইসলাম জানান, কোরবানীর পশু পরীক্ষা করার জন্য হাটে সরকারিভাবে লোক থাকা প্রয়োজন। এদিকে হাট-বাজারগুলোতে পশুর রোগ পরীক্ষায় স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি। কিন্তু ক্রেতারাও বেশ সচেতন। তারা সাধ্যমত দেখেশুনে ক্রয় করছে। বিক্রেতাদের হাঁকা দামে তারা সাড়া দিচ্ছেন না। তবে সবদিক বিবেচনায় গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানীর জন্য পশুর দাম অনেক কম।
মঙ্গলবার সরেজমিনে সৈয়দপুরের উপকণ্ঠে ঢেলাপীর হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার গরু ছাগল আমদানী হয়েছে। গরুগুলো সিংহভাগেই দেশী। হাটে প্রকার ভেদে গরু বেচাকেনা হয়েছে ১৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায়। একটি সূত্রমতে, উপজেলা অধিকাংশ বাড়ীতেই গরু পালন করা হয়। তাই হাটে দেশী গরুর আমদানী বেশী। ওই সূত্রমতে, গো-খাদ্যের দাম কমানো গেলে ভবিষ্যতে দেশী গরু দিয়ে কোরবানীর চাহিদা মেটানো সম্ভব। হাটে ক্রেতা গত বারের তুলনায় এবারে বেশী। ওই দিন হাটে দেখা যায়, ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের গরু-ছাগলের হাটের নির্ধারিত স্থান পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। হাটের স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে রয়েছে পুলিশের মোবাইল টিম। এছাড়া হাট কমিটির পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।