সিসি নিউজ: নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস সতর্কতায় কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। ফলে এই ভাইরাস প্রতিরোধে বিমানবন্দরে চেকপোস্ট বসানোর দাবি উঠেছে।
সৈয়দপুরসহ উত্তরাঞ্চলে আসা বিদেশি যাত্রীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই এ অঞ্চলে প্রবেশ করছে। একইভাবে পরীক্ষা ছাড়াই ভারত থেকে বিদেশি নাগরিক হিলি ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসছেন।
এসব নাগরিক সৈয়দপুর বিমানবন্দর দিয়ে ঢাকা যাচ্ছেন। অথচ সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ইবোলা প্রতিরোধে সতর্কতামূলক কোন ব্যবস্থা চালু করা হয়নি। ফলে সৈয়দপুরসহ এই অঞ্চলে ইবোলা ঝুঁকি রয়েছে।
এ অঞ্চলে অবস্থিত নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে বিভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিকরা কর্মরত আছেন।
এছাড়া উত্তরা ইপিজেডে ফ্যাক্টরিগুলোতে বিদেশি পণ্যের ক্রেতারাও আসছেন। এসব নাগরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অবাধে যাতায়াত করছে।
স্থানীয় চিকিৎসকদের জানায়, আকাশপথে উত্তরাঞ্চলে যাতায়াতের একমাত্র পথ সৈয়দপুর বিমানবন্দর। এই পথে দেশি যাত্রীর চেয়ে বিদেশি যাত্রী বেশি যাতায়াত করে থাকেন। সরকার বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইবোলা প্রতিরোধে চেকপোস্ট বসিয়ে সতর্কতা জারি করেছেন। এ অবস্থায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দ্রুত চেকপোস্ট বসানোর দাবি করা হয়।
এ ব্যাপারে বিএমএ সৈয়দপুর শাখার সভাপতি ডা. শেখ নজরুল ইসলাম জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে অনেক বিদেশি নাগরিকরা রংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় যাতায়াত করেন। সে কারণে সৈয়দপুর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জরুরি ব্যবস্থা নিয়ে বিদেশি যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর ম্যানেজার শাহীন আহমেদ বিমানবন্দরে বিদেশি যাত্রী চলাচলের সত্যতা জানিয়ে বলেন, ইবোলা জীবানুবাহী ব্যক্তি সনাক্ত করতে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. স্নেহকান্তি চাকমা জানান, তার দফতরে সরকারিভাবে নির্দেশনা আসেনি, নির্দেশনা আসলেই ইবোলা ভাইরাস সনাক্তে কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।