ঢাকা : উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ডিসেম্বরে অথবা জানুয়ারিতে করার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনই এ নির্বাচন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন করার উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। তবে সীমানা জটিলতাসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা আর করা সম্ভব হয়নি। এবার চতুর্থ উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন কনিশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে আট দফা চিঠি দেওয়া হয়।
কিন্তু উপজেলা পরিষদের সীমানা ও এলাকা নির্ধারণের গেজেটের কপি নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছানোর পরেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন দিতে পারছে না ইসি।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, অধিকাংশ উপজেলার সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এসব উপজেলায় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে কমিশনকে লিখিতভাবে জানানোর কথা থাকলেও তারা এখন পর্যন্ত তা জানায়নি। কবে নাগাদ এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে, এ নির্বাচন হবে কি হবে না, সে ব্যাপারে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে ইসির উপ-সচিব সামসুল আলম শীর্ষ নিউজকে জানান, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রায় দেড় হাজার নারী জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেতেন। উপজেলা নির্বাচন বিধিমালাতে সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচনে বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর আগে নির্বচন কমিশন বিভিন্ন জটিলতার কারণে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আয়োজন করতে পারেনি। তবে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারা প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেতেন। বিধান অনুযায়ী পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে এ প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।
উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা তাদের মধ্য থেকে একজনকে ভোট দিয়ে উপজেলা পরিষদের নারী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করবেন। আর এই সদস্যদের সংখ্যা হবে উপজেলায় ইউনিয়ন ও পৌরসভাগুলোর মোট নারী সদস্যের এক তৃতীয়াংশের সমান। আর যদি উপজেলাতে ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থাকে তাহলে উপজেলায় নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত আসন হবে চারটি।
শীর্ষ নিউজ