পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: পার্বতীপুরে তালিকা ভূক্ত ৭৯০ মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ২৭০ জনই ভূয়া এবং এদের মধ্যে ২৩ জন ১৯৭১ সালে রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন বলে দাবী করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ। গত রোববার বেলা ১১ টায় পার্বতীপুর প্রেস ক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রিয়াজ মাহমুদের নেতৃত্বে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ এসব অভিযোগ করেন। এ সময় অন্যন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, তহমিদা রহমান কারী, সহিদুল হক ও মোঃ শাহাজাহান। তাদের উত্থাপিত অভিযোগ জানা যায়, ২৭০ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা চলাকালে ১০ জনের বয়স ছিল মাত্র ২ থেকে ৬ বছর। । তাদের মধ্যে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সরকারী গেজেটে ও মুক্তি বার্তায় নাম না থাকা সত্ত্বেও ২ জন অন্যের নাম ব্যবহার করে ভাতা উত্তোলন করছেন। প্রকৃত ঠিকানা গোপন করে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা ভূক্ত হয়েছে ৩ জন। পার্বতীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বর্তমান ডেপুটি কমান্ডার ছিদ্দিক হোসেন মুক্তিযুদ্ধে আহত না হয়েও বর্তমানে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উত্তোলন করছেন। তাদের দাবী বর্তমান ও পূর্বের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড অর্থের বিনিময়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ভূক্ত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে ২৭০ জন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ৬১ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। অবশিষ্টরা প্রভাবশালী হওয়ায় পর্যায়ক্রমে তাদের নামের তালিকা প্রকাশ হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ জানান। সংবাদ সম্মেলনে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।