• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

বীরগঞ্জে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনে গৃহবধু হাসপাতালে

nirjatonবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বীরগঞ্জে যৌতুক দাবিতে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনে রোকেয়া নামের এক গৃহবধু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে মরিচা ইউনিয়নে মহাদেবপুর গ্রামের মমিন পানুয়ার ছেলে নুর ইসলাম ১লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ প্রয়োগ করে। গত শনিবার রাতে দাবির টাকা আনতে অপারগতা জানালে পাষান্ড স্বামী ও দেবর কালাম রোকেয়া বেগম (২৭)কে অমানবিক ভাবে নির্যাতন করে ছেলে রবিউল (১০) ও মেয়ে লিমা (৫)সহ ৩ জনকে গভির রাতে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়।
সংবাদ পেয়ে রোকেয়ার ভাই মোহনপুর ইউপি সদস্য জহির উদ্দিন মারাত্বক আহত অবস্থায় দুই সন্তানের জননী রোকেয়া বেগমকে রাতেই উপজেলা স্থাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করেন। রোকেয়ার ভাই জহির উদ্দিন জানান, পাথরঘাটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে ১৯৯৯ইং সালে পার্শ্ববর্তী মরিচা ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের মমিন পানুয়ার পুত্র নুর ইসলাম পেশায় রাসায়ানিক সার ব্যাবসায়ীর সাথে বিয়ে হয়। এক লক্ষ ৫০হাজার টাকা যৌতুক স্বর্ণালংকার কাপর-চোপর ও অন্যান্য জিনিষপত্র দেয়া হয় বিয়ের সময়।
বিয়ের পর সুখেই কাটছিল তাদের সংসার, যৌতুক লোভী স্বামী নুর ইসলাম বাবার বাড়ি থেকে আরো ১ লাখ টাকা নিয়ে আসার জন্য তার স্ত্রীকে  চাপ দেয়, রোকেয়া টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করে। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। যৌতুকের টাকার জন্য প্রায় প্রতিদিনই গৃহবধুর উপর চালানো হতো শারীক ও মানুষিক অত্যাচার নির্যাতন।
স্বামী ছাড়াও শশুর, শাশুরী নুরজাহান ও দেবর কালাম অত্যাচার নির্যাতন চালাত তার উপর। তার পড়েও ১০ বছরের পুত্র রবিউল ও ৫ বছরের কন্যা লিমা আখতারের মুখের দিকে চেয়ে খেয়ে না খেয়ে শত নির্যাতন সহৃ করে স্বামীর বাড়ীতে পড়ে ছিল গৃহবধু। হাসপাতালে চিকিৎসাধী যন্ত্রনায় কাতর রোকেয়া জানায়, ঘটনার রাতে শোয়ার ঘরে আটকিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে বেদম মারপিট করা হয়। এক পর্যায়ে বাচ্চাসহ বাড়ী থেকে বের করে দেয়। রাতে আমার ভাই প্রতিবেশীদের সহায়তায় উদ্ধার করে উপজেলাা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করেন। অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় রোকেয়া নিজে বাদী হয়ে স্বামীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মরিচা ইউনিয়ন আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান চৌধুরী বাদশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান তাদের নোটিশ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ