লাইফস্টাইল ডেস্ক: একটি কথা আমরা প্রায়ই বলে থাকি- ক্যান্সার চিকিৎসার আগে ক্যান্সার প্রতিরোধই সর্বোত্তম উপায়। আগেই লিখেছিলাম ক্যান্সার প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাস ও গৃহিণীর ভূমিকা নিয়ে। আল্লাহ তায়ালা রোগ দিয়েছেন আবার প্রাকৃতিকভাবে তা নিরাময়, রোগমুক্তি ও প্রতিরোধের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধও দিয়েছেন। আমরা জানি, কাঁচা হলুদ শরীরে রোগ নিরাময়ে বিভিন্ন ভূমিকা রাখে। বর্তমানে ইংল্যান্ডে হলুদ থেকে ক্যান্সারের ওষুধ বের করার গবেষণা চলছে।
লে-স্টার রয়্যাল ইনফার্ম নামের হাসপাতালে চিকিৎসকরা এ গবেষণা চালাচ্ছেন। ক্যান্সারের মতো রোগীদের হলুদ থেকে তৈরি সারকিউমিন ট্যাবলেট দেয়া হয়। পরীক্ষা ও গবেষণায় জানা যায়, হলুদ শরীরের টিউমারের বৃদ্ধিকে উল্লেখযোগ্য হারে রোধ করে। অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এশীয় রোগীদের কোলো রেক্টটাল ক্যান্সারের হার কম বলে ডাক্তারদের ধারণা- ভারতীয়রা হলুদ বেশি খায়।
এছাড়া অন্য একটি গবেষণায় অস্ট্রেলীয় গবেষকরা দেখেছেন অতিরিক্ত মাংস খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে। ৫ লাখ ২২ হাজার ইউরোপীয়র ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, তাদের পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যান্সার বেশি। কারণ তারা বেশি মাংস খায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সার রিসার্চ এজেন্সির পুষ্টি ও ক্যান্সার গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এলিও বিকোলি জানান, যারা দৈনিক বেশি অাঁশযুক্ত খাবার খান, তাদের ক্যান্সার আক্রান্তের হার কম ও যারা কম অাঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ক্যান্সার আক্রান্তের হার বেশি।
অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ঝালযুক্ত খাবার খান বেশি, তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি আর যারা কম ঝাল খান তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম। পরিশেষে বলতে পারি, যে হলুদ নিয়ে শুরু করছিলাম, এ হলুদ হলো মশলাযুক্ত একটি খাবার, যা আমরা পরিমাণমতো গ্রহণ করি। তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রকৃত খাবারগুলো আমাদের গ্রহণ করা উচিত।