• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন |

সৈয়দপুরের একটি সড়ক ড্রেনে পরিণত!

sorokএম আর মহসিন: দেশের প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা সৈয়দপুর। পৌর ১১ নং ওয়ার্ডের কুন্দল ডিগ্রি কলেজ সম্মখে পূর্বপাড়া এলাকার একটি সড়কে কোন রিক্সা, ভ্যান কিংবা কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারেনা। বিভিন্ন বাড়ির পানি নিস্কশনে এ সড়ক কেটে মূল নালার সাথে সংযুক্ত করায় হেরিং বন্ড সড়কটি ভেঙ্গে ড্রেনের পানিতে পুরো সড়কটি যেন ড্রেনে পরিণত হয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে এর ওপর বাসস্থান নির্মাণ করায় সড়কটির অস্তিত্ব হুমকিতে পড়েছে। এতে শিক্ষাথীসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষজন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দির্ঘ দুই যুগ ধরে এ অবস্থা অব্যহত থাকলেও কোন নজর নেই সংশ্লিষ্টদের। তাই অবহেলিত এ এলাকাবাসি এবং পথচারিরা এ সড়কটি নির্মানের দাবি তুলেছেন সৈয়দপুর পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে।
জানা যায়, সৈয়দপুর পৌর ১১নং ওয়ার্ড সৈয়দপুর ডিগ্রি কলেজ ও ১০০ শয্যা হাসপাতাল সম্মুখ এলাকা হচ্ছে কুন্দল পূর্বপাড়া। শিক্ষা ও চিকিৎসা নিতে আসা পার্বতিপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলার বিভিন্ন  এলাকাবাসির একমাত্র প্রবেশ পথ পূর্ব পাড়ার একমাত্র এ সড়কটি। এসড়কটি চলাচল উপযোগি করে তুলতে ১৯৯০সালে মাটির ওপর শুধু ইট বিছিয়ে হেরিং বন্ড তৈরী করা হয়। নির্মান করা হয় সড়ক সংলগ্ন সংকির্ণ একটি ড্রেন। এরপর ১৮৯৮সালের বন্যায় ধ্বসে ও সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারিরা বাড়ির পানি নিস্কাশনে মুল ড্রেনে পানি সংযোগ দিতে সড়কটি কেটে ফেলে। এভাবে সড়ক টির বিছানো ইট উঠে যায়। পুরো সড়কটি ভেঙ্গে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়ে। এতে দুর-দুরান্তের শিক্ষার্থি ও অসুস্থ মানুষের  একমাত্র এ প্রবেশ পথটি অভাবে দূর্ভোগ বেড়ে যায়। তাদের ভাঙ্গা সড়কের দুই থেকে তিন মাইল ঘুরে আসতে হয় এখান কলেজ ও হাসপাতালে। গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৪ শত মিটার সড়কটির অর্ধেক পাকা। আর বাকি অর্ধেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে বিছানো ইট। এর মধ্যে রাস্তা কেটে মুল ড্রেনের সাথে বাড়ির ড্রেন সংযোগ দেয়া হয়েছে। আবার পৌরসভার একম্াত্র ড্রেনটির পানি উপচে পুরো সড়ক দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এলাকাবাসি জানায়, সড়কটি নির্মানের পর হতে পৌর কতৃপক্ষ একবারো সংস্কার কিংবা নির্মান করেনি। এতে বর্ষাকালে আমরা ঘর হতে বের হতে পারি না। আর রিক্সা কিংবা বিভিন্ন যানে কোন মালামাল বাড়িতে আনতে পারি না। আবার কেহ মারা গেলে খাটিয়ায় লাশটি দাফনের জন্য ময়লা নোংরা পানি মাড়িয়ে ঘর আসতে হয়। অনেক এলাকাবাসি অভিযোগ করেন, আমরা দলীয় করনের কারনে উন্নয়ন বঞ্চিতের স্বিকার। আঃ মজিদ নামে এক এলাকাবাসি জানান, এ সড়ক ভেঙে গেলেও পৌর কতৃপক্ষ এটি মেরামত না করে পাশ্বে একটি কার্পেটি নতুন রাস্তা তৈরী করেছে। অথচ এ রাস্তার মেরামতের বিষয়টি বারবার তাদের কে অবগত করেও কোন কাজ হয়নি। এ নিয়ে পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের কমিশনার আঃ মান্নানের সাথে কথা হলে। তিনি জানান, অবশ্যই সড়ক টি তৈরী হবে। যা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। এ বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, কোন বঞ্চনা কিংবা অবহেলা নয়। আমি এ পৌরসভার সকল নাগরিকের সমস্যা নিরসনে কাজ করতে চাই। যদিও পর্যাপ্ত বরাদ্দ যথাসময়ে পাই না। তার পরেও এ সড়কটি পুনরায় নিমার্নে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ