• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন |

ওয়ান-ইলেভেনের নায়করা ফের আলোচনায়

98753_1সিসি ডেস্ক: ওয়ান-ইলেভেনের সময় দীর্ঘায়িত, বঙ্গভবনের ঘটনাবলী, কিংস পার্টি গঠন, দুই নেত্রীকে আটক ও মুক্তি, নির্বাচনের ঘটনাগুলো কারা কি উদ্দেশ্যে ঘটিয়েছে-অদ্যাবধি তা ইতিহাসের পাতায় রহস্যে ঘেরা। সে সময়ের আলোচিত সমালোচিত নায়কদের মধ্যে যাদের দুর্দান্ত দাপটে বাঘে-মোষে এক ঘাটে পানি খেত, সেই নায়ক লে. জেনারেল মঈন-উ-আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফজলুল বারী, মেজর জেনারেল এটিএম আমিন ও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী ওয়ান-ইলেভেনের ঘটনার পর থেকে পরবাসী। তাঁরা কে কোথায় কেমন আছেন এবং তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলবেন, সেই ঘটনাবলীতে কার কী ভূমিকা ছিল তা উল্লেখ করবেন বলে ঘোষণা দেয়ার প্রেক্ষাপটে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছেন ওয়ান-ইলেভেনের নায়করা। হঠাৎ করে বিদেশে থেকে তাঁদের সন্দেহজনক তৎপরতার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

ওয়ান-ইলেভেনের নায়কদের অন্যতম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) চৌধুরী ফজলুল বারী; যিনি ছিলেন জামায়াত ঘেঁষা এবং জামায়াতের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় ঘোষণা দেয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বলেছেন, মুখ খুলবেন, লিখবেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। এর আগে তখনকার সেনাবাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল মঈন-উ-আহমেদও বিচ্ছিন্নভাবে সংবাদমাধ্যমে অনুরূপভাবে কথা বলেছেন। জেনারেল (অব) মঈন-উ-আহমেদ ও ব্রিগেডিয়ার (অব) বারী দুইজনই আছেন আমেরিকায়। আমেরিকার নিউইয়র্কে আছেন মঈন-উ-আহমেদ ও টেক্সাসের ডালাসে আছেন ফজলুল বারী। ওয়ান-ইলেভেনের আগে মঈন-উ-আহমেদকে কয়েকজন সিনিয়র সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে সেনাবাহিনীর প্রধান করেছিলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। আর ওয়ান-ইলেভেনের পর সব দলের নেতাদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালানো হলেও বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগে যে দলটির শীর্ষ নেতারা অভিযুক্ত, কারাবন্দী, ফাঁসির আসামি তাদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে দেননি জামায়াত ঘেঁষা ফজলুল বারী। এখন তাঁরা মুখ খুলবেন, লিখবেন বলে সংবাদমাধ্যমে ঘোষণা দেয়ার পর বিভিন্ন মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।

উৎসঃ   জন কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ