ঢাকা: জাতীয় সংসদে উপ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা বিল- ২০১৪ পাস হয়েছে। মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বিলটি উত্থাপন করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলের ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেয়া হলে তা নাকচ করা হয়। তবে এম এ হান্নানের দুই দফার ২৪ দফায় দুটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।
এর আগে গত রোববার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিল ২০১৪ এর ওপর রিপোর্ট উপস্থাপন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন। বিলে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার শ্রেণীবিভাগ ও বয়সসীমা নির্ধারণ করে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক ও বয়স্ক এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা এ দুই ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এতে প্রাথমিক শিক্ষার বয়স ৮ থেকে ১৪ বছর এবং বয়স্ক শিক্ষার বয়সসীমা ১৫ ও তদুর্ধ্ব নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে একজন মহাপরিচালককে প্রধান করে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো স্থাপন এবং ব্যুরোর জনবল কাঠামো, প্রধান কার্যালয় ও শাখা কার্যালয়, ব্যুরোর কার্যাবলী বিষয়েও বিধানের প্রস্তাব করা হয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সর্ম্পকে বলা হয়, নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞানদান, আত্মকর্মসংস্থানের যোগ্যতা সৃষ্টিকরণ তথা স্বাবলম্বীকরণ এবং বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার বিকল্প সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ বিল প্রণয়ন করা হয়। এ আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে বিনাশ্রম ছয় মাস কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।