সিসি নিউজ: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার রাতে সদস্যভুক্তিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুলের বিরেিদ্ধ অনিয়মের অভিযোগ এনে বিক্ষুবদ্ধ নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিলের পর দলীয় কার্যালয় ভাংচুর করে। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা জানায়, আগামী ডিসেম্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ঘিরে সদস্য পদ নবায়ন ও নূতন সদস্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এতে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগ থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সদস্য সংগ্রহের জন্য উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জাকীর হোসেন বাবুলের কাছে ১০ হাজার ৭০০ কুপন প্রদান করা হয়। সাধারণ সম্পাদক দলীয় সভায় সিদ্ধান্তনা নিয়ে নিজের পছন্দের মানুষকে সদস্য পদে অন্তভুক্তির সহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত হয়ে পড়েন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এছরারুল হক অভিযোগ করে বলেন,‘ জেলা থেকে পাঠানো সদস্যভুক্তির কুপন গুলো সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল নিজ জিম্মায় রেখে আগামী কাউন্সিলে সভাপতি হবার লক্ষে নিজস্ব লোকজনকে ওই কুপন দিয়ে সদস্যভুক্তি করছেন। সেটি প্রকাশ হয়ে পড়লে উপজেলার ১০ ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার মিছিল ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে।’
জানা যায় সম্মেলন ঘিরে যারা সভাপতি পদে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এছারারুল হক ও সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল এবং সাধারন সম্পাদক পদে বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সাজু, যুবলীগের সভাপতি ফনিভুষন মজুমদার, আবু আলম ও মশিয়ার রহমান নিজেদেরকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা দিয়েছেন।
অপর দিকে সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন জেলা কমিটি প্রতিটি ইউনিয়নে ও ওয়ার্ড পর্যায় কুপন বিতরণ করার চাপ দিয়েছে। আমি দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেজুলেশন করে কুপন বিতরণ করেছি। আমার একক কোন সিদ্ধান্তে কুপন বাড়িতে বসে বিতরণ করিনি। এই মিথ্যে অভিযোগ তুলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তার গ্র“পের কর্মীদের দিয়ে অফিসের আসবাপ পত্র ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।