আতাউর রহমান, রাজিবপুর(কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে রোববার সকাল থেকে শুরু হয়েছে শৈত্য প্রবাহ। সারা দিন সুর্যের দেখা মেলেনি। শৈত্য প্রবাহের কারনে বিদ্যালয়গামী কচি-কাঁচা ছেলে-মেয়েরা অতিকষ্টে তাদের বার্ষিক পরীক্ষা দিয়েছেন। ছিন্নমুল মানুষ গুলো অনেকেই কাজে যোগদান করেনি। অফিস আদালত গামী লোকজন সারা দিন অফিসে বসে অলস সময় কাটিয়েছেন। অধিকাংশ রাস্তা ঘাট ছিল যানবাহন শুন্য। গ্রামের হাট বাজারের চায়ের দোকানে চা খাওয়ার জন্য সর্ব সাধারনের ছিল উপচে পড়া ভীড়। অনেকেই বাড়ির রান্না ঘরে বসে আগুন পোহায়ছেন। মানুষের পাশাপাশি গবাদী পশুও পড়েছে বিপাকে। সার দিনের কন কনে ঠান্ডা বাতাসে তাদের কাহিল করে ফেলেছে। নদী বিছিন্ন চরের মানুষের অবস্থা ছিল আরও সোচনীয়। কোদাল কাটি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম যোদ্দার জানান, হঠাৎ করে শৈত্য প্রবাহে আমার এলাকার মানুষ যেন একে বাড়ে কাহিল করেছে। রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরে শাহী ফুল জানান, তার ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রামে পাহাড় থেকে হিমেল হাওয়া বয়ে আসায় এলাকাবাসীকে কাবু করে ফেলেছে। নদী ভাংগা মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু জানান, প্রথম শৈত্য প্রবাহেই তার এলাকার হত দরিদ্ররা মানবেতর জীবনযাপন করছে। ইউপি চেয়ারম্যানগন শীতার্ত মানুষের মাঝে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।