আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রয়াত আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন আত্মগোপনে থাকার সময় কয়েকটি এনজিও তাকে নিয়মিত অর্থায়ন করে গেছে। “বিন লাদেন প্রায় ১০ বছর আত্মগোপনে ছিল। ওই সময় ব্যাংক ডাকাতি, মাদক চোরাচালান বা পারিবারিক টাকায় নয়, কয়েকটি এনজিও তাকে নিয়মিত অর্থ যোগান দিয়ে এসেছিল।” যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য ও আইন-শৃঙ্খলা প্রয়োগ বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি উইলিয়াম ব্রাউনফিল্ড আজ সোমবার এ কথা বলেন। তবে তিনি কোনও এনজিওর নাম উল্লেখ করেননি।
তিনদিন ব্যাপী ‘গুড গিভিং কাউন্টার টেরোরিজম ফিন্যান্স’ প্রশিক্ষণ কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হোটেল সারিনাতে একথা বলেন তিনি।
ব্রাউনফিল্ড আরও বলেন, আল কায়েদা নেতা প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ডলারের তহবিল পেত। ওটা আসত কিছু ইসলামি দাতব্য প্রতিষ্ঠান থেকে। এমন সব আর্থিক সহায়তাকারীদের কাছ থেকে টাকাটা আসতো যারা প্রাথমিকভাবে ওই তহবিল সংগ্রহ করতো উপসাগরীয় অঞ্চলের দাতাদের কাছ থেকে।
তদন্তকারীরা ২০০৮ সালে মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণে নির্দিষ্ট দাতব্য সংগঠনের যোগসাজশ খুঁজে পেয়েছেন। ওই ঘটনায় জড়িত চরমপন্থী সংগঠনের অর্থ সহায়তা দিত ওই সংগঠনগুলো।
তিনি অবশ্য বলেন ৯৯ শতাংশের বেশি এনজিও ভালো কাজ করছে। ”আমাদের কাজ হচ্ছে ভালো এনজিওগুলোকে রক্ষা করা এবং সন্ত্রাসবাদকে সহায়তাকারী এনজিওগুলোকে বন্ধ করা।
ব্রাউনফিল্ড তার অভিজ্ঞতা থেকে বলেন মাদক চোরাচালানকারীরা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে অর্থায়ন করে অথবা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোই মাদক চোরাচালানে যুক্ত। তার মতে, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার।”
পাঁচ জাতির এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, নেপাল , পাকিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্র। আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট, আইনজীবী, পুলিশ ও বিচারক এবং দাতব্য ও এনজিও প্রতিনিধিরাও এখানে অংশ নিয়েছেন।