• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন |

জিনজিরাম নদীতে একটি সেতুর অভাবে!

baliamari brige22 (1)আতাউর রহমান, রাজিবপুর: কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে একটি সেতুর অভাবে সীমান্তবর্তি ২০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি। বর্ষা মৌসুমে নৌকা আর শুস্ক মৌসুমে ঝুকিপূর্ন বাশেঁর সাকোঁ পারাপারের একমাত্র ভরসা। ফলে বিগত শত বছরেও উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি উক্ত এলাকায়। যোগাযোগ ও যাতায়াত ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া এলাকাবাসির একটি মাত্র দাবি জিনজিরাম নদীতে সেতু চাই। জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে সেতুটি নির্মান করা হলে সীমান্ত বাসির সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে বাধাঁ থাকবেনা। পিছিয়ে পড়া সীমান্ত বাসি যাতায়াতে সুবিধা পেলে কৃষি ক্ষেত্রে,ব্যবসা-বানিজ্যে,শিক্ষা-দীক্ষায় উপজেলার অন্যান্য গ্রামবাসিদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। সুবিধা পাবে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিজিবি। সেতু না থাকায় সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার, চোরাচালান রোধ, নারী ও শিশু পাচার বন্ধে তেমন কোন ভুমিকা রাখতে পারেনা। সীমান্তবাসি চিকিৎসা সেবা ও সীমান্তের জরুরী প্রয়োজনে সহজে উপজেলার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না। যাতায়াতের অসুবিধার জন্য অনেক প্রসুতি মায়ের অকাল মৃত্যু হচেছ। সরে জমিন ঘুরে দেখা গেছে,সীমান্ত বর্তি ২০ গ্রামের মানুষ উপজেলার সাথে যোগাযোগ করতে হলে জিনজিরামের নদীর উপরের ৬টি খেওয়া নৌকা পাড়ি দিয়ে আসতে হয়। অথচ উক্ত নদীর উপরে সেতু নির্মান করা হলে প্রায় ৫০ হাজার জনসাধারন কষ্টের হাত থেকে বেচেঁ যাবে। কলাবাড়ি ও বাওর গ্রাম নিকট অথবা বালিয়ামারী ও লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামের সংযোগ স্থলে সেতু নির্মান করার জন্য সীমান্ত বাসি দীর্ঘ দিন যাবৎ দাবি করে আসছেন। এর মাঝে লালকুড়া ও খেওয়ার চর এলাকায় একটি রাবার ড্রাম নির্মানের কাজ দীর্ঘ দিন যাবৎ স্থগিত হয়ে রয়েছে। অথচ সাবেক এমপি মরহুম গোলাম হোসেন সময় থেকে শুরু করে তার ছোট ভাই বর্তমান এমপি রুহুল আমিন সাহেবও উক্ত জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে খেওয়া নৌকা চড়ে পার হয়ে আসেন উপজেলা শহরে। ঐতিহ্যবাহি রৌমারী হাট,শত বছর পুরাতন বালিয়ামারী হাট ও বালিয়ামারী বর্ডার হাটে জিনজিরাম নদী পাড়ি দিয়ে আসতে হয় উক্ত এলাকার জন সাধারন কে।  ডিজিটাল যুগে অত্র এলাকার মানুষ আর এনালগ থাকতে চান না । অতি শীগ্রই যোগাযোগ মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উক্ত এলাকার মানুষের সুবিধার জন্য একটি সেতু নির্মান করে দিবেন বলে এলাকাবাসির দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ