
ঢাকা : মানবতাবিরোধী অপরাধের ৫ অভিযোগে পটুয়াখালীর ফোরকান মল্লিকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ ফোরকান মল্লিকের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য শুরুর দিন ঠিক করে দেন।
একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তৎকালীন মুসলিম লীগ কর্মী ফোরকান মোল্লার বিরুদ্ধে। আগামী ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।
প্রসিকিউশনের পক্ষে মোখলেছুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি এবং আসামি পক্ষে আব্দুস সালাম আদেশের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
গত ২ ডিসেম্বর ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আটজনকে হত্যা ও গণহত্যা, ৪ জনকে ধর্ষণ, ৩ জনকে ধর্মান্তরে বাধ্য করা, ১৩টি পরিবারকে দেশান্তরে বাধ্য করা, ৬৪টি বসতবাড়ি ও দোকানে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে পটুয়াখালীর ফোরকানের বিরুদ্ধে।
একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, র্ধষণ ও অগ্নিসংযোগের দায়ে ২০০৯ সালে ২১ জুলাই ফোরকানের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় আবদুল হামিদ নামে এক ব্যক্তি মামলা করেন।
এরপর এ বছরের ২৫ জুন ফোরকানকে বরিশালের রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।
তার বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত করেন প্রসিকিউশনের তদন্ত র্কমর্কতা সত্যরঞ্জণ রায়।
গত ৩ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনাল ফোরকান মল্লিককে করাগারে পাঠায়।