• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

নীলফামারী সদর ও কিশোরগঞ্জে আগুনে দেড় শতাধিক বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

Agunসিসি নিউজ: নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাতারুপাড়ায় সৃষ্ট এক অগ্নিকান্ডে প্রায় ৩৫টি পরিবারের প্রায় দেড় শতাধিক বসতঘর পুড়ে গেছে। আজ সোমবার রাত সোয়া ৭টার দিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। নীলফামারী ও সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে প্রায় ৪৫ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে আগুন আয়ত্বে আনে।

সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান শাহ মান্নু জানান, ওই পাড়ার জনৈক সোলায়মানের বাড়ি থেকে এ আগুনের সূত্রপাত গটে। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে তিনি সিসি নিউজকে জানিয়েছেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা এখন খোলা আকাশের নীচে অবস্থান করেছে। রাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।”

খবর পেয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেত আলী, সহকারী পুলিশ সুপার শফিউল ইসলাম, সদর থানার ওসি শাহজাহান পাশা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানান তিনি। সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা বলেন, “সরকারি সহযোগিতার জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যাকে বলা হয়েছে।” নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার এনামুল হক বলেন, “ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন ও অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে কাজ চলছে।”

অপরদিকে কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, একই সময়ে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম দলিরাম সুতা ভিজাপাড়া গ্রামে  অগ্নিকান্ডে ৮টি পরিবারের ঘর বাড়ি পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতির পরিমার প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা।
ইউপি চেয়ারম্যান বিপ্লব কুমার সরকার দিপু সোমবার রাত সাড়ে ৭টার সময় পশ্চিম দলিরাম সুতা ভিজা পাড়া গ্রামের মানিক রায়ের রান্ন ঘরের বৈদ্যুতিক তারের শট-সার্কিট হতে আগুনের সুত্রপাত হলে গ্রামের ৮ পরিবারের ১৩টি টিনের ও খড়ের ঘর পুড়ে ছাই হয়। এতে ওই সব পরিবারের ১৩টি টিনের ও খড়ের ঘর,ঘরে রক্ষিত সকল আসবাবপত্র,যন্ত্রপাতি,ধান চাল,আলু ও নগদ ২০ হাজার টাকা পুড়ে ছাই হয়। এছাড়া হাঁসমুরগী অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে মারা যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ২ লক্ষ টাকা বলে ধারনা করা হচ্ছে। এতে গ্রামের মানিক রায়,অতুল চন্দ্র,গনেশ চন্দ্র,দীনেশ চন্দ্র,সুধীর চন্দ্র,ঘণিরাম রায়,কুমদিনী,নিরেন্দ্র নাথ সহ পরিবারের সকলেই সর্ব শান্ত হয়।
সোমবার রাতে সদর উপজেলা ভূমি কমিশনার কমল কুমার ঘোষ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে ১টি করে কম্বল, নগদ ৩ হাজার টাকা ও এক বান্ডিল করে টিন  প্রদান করেন।
অপর দিকে গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে পরিবারগুলো জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ