হানিফ সংকেত: ১৯৬৪ থেকে ২০১৪- বিটিভির দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আমি জড়িত ছিলাম মাত্র ৩৫টি বছর। তাই এ লেখায় বিটিভির ৫০ বছর নিয়ে লেখার ধৃষ্টতা আমার নেই। শুরু থেকেই যাঁরা এ প্রতিষ্ঠানটিতে জড়িত ছিলেন, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁরাই হয়তো ৫০ বছর নিয়ে ভালো লিখতে পারবেন। তবে আমার দেখায় বিটিভি কেমন ছিল, কেমন আছে, কেমন থাকা উচিত, সে সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিতে চেষ্টা করব। কারণ আমার শিল্পীজীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত একমাত্র আমিই বোধ হয় এ প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত অনুষ্ঠান করছি। বিভিন্ন চ্যানেলের কাছ থেকে লোভনীয় আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও বিটিভিকে ছেড়ে যাইনি। তবে যাঁর উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় আজ একজন মিডিয়াকর্মী হয়েছি, বিটিভির সুবর্ণ জয়ন্তীর এই শুভলগ্নে তাঁকে স্মরণ করাটা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। শুধু আমি নই, বিটিভিরও উচিত তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা কিংবা তাঁকে নিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালায় অন্তত একটি আলোচনা অনুষ্ঠান করা। তিনি হচ্ছেন প্রয়াত ফজলে লোহানী। আশির দশকের শুরুতেই ফজলে লোহানী টেলিভিশনে নিয়ে আসেন সেই সময়কার সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’। সূচনা করেন টিভি সাংবাদিকতা। তাই ফজলে লোহানীকে বলা হয় ‘টিভি সাংবাদিকতার জনক’। বাংলাদেশের টেলিভিশনের রূপ পাল্টে তাকে একটি শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত করার কাজে ফজলে লোহানী ছিলেন সফল পথিকৃৎ। আর তাই তিনি হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম টিভি সুপারস্টার। তাঁর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মুস্তাফা মনোয়ার বলেছেন, ‘টিভি শক্তিশালী মাধ্যম নয়, টিভির অনুষ্ঠান যিনি পরিবেশন করছেন, তিনি যদি শক্তিশালী হন, কেবলমাত্র তবেই টিভি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।’ ফজলে লোহানী ছিলেন তেমনই একজন শক্তিমান টিভি উপস্থাপক।
পাশাপাশি শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘সপ্তবর্ণা’ যেমন অসম্ভব জনপ্রিয় ছিল, তেমনি তাঁর সৃষ্টি ঈদের অন্যতম আকর্ষণ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আনন্দ মেলা’ও ছিল সমান জনপ্রিয়। কিন্তু অযত্ন-অবহেলা আর বিষয়-বৈচিত্র্যের অভাবে ‘আনন্দ মেলা’ দিন দিন ম্লান হয়ে পড়েছে। আসলে তখন প্রতিটি অনুষ্ঠান নিয়ে টিভির দায়িত্বরত কর্মকর্তারাও ভাবতেন। প্রতিটি মিনিট, সেকেন্ড হিসাব করা হতো। সবার মধ্যেই একটি বিষয় কাজ করত- টিভি একটি জাতীয় মাধ্যম, এর একটি মিনিটও নষ্ট করা ঠিক হবে না। দর্শকরা সময় নিয়ে টিভি দেখতে বসেন। তাঁদের সেই সময়ের মূল্য দিতে হবে। এসব ভাবনা-চিন্তার কারণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা। এখন আর তেমন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা বিটিভিতে নেই। তাঁদের অনেকেই চলে গেছেন বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলে। তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছে প্রাইভেট চ্যানেলগুলো।
বিটিভির ৫০ বছর : আহ্ প্রত্যাশা, হায় প্রাপ্তি
একসময় বিটিভির নাটক দেখার জন্য দর্শকরা সব কাজ শেষ করে টিভির সামনে এসে বসতেন। আমার মনে আছে, আশির দশকের শুরুতে জনপ্রিয় নাট্যকার বেগম মমতাজ হোসেনের ‘সকাল সন্ধ্যা’ শুরু হয়। শেষ হয় সম্ভবত চুরাশিতে। আমার জানা মতে, এটিই বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম মৌলিক ধারাবাহিক। নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে প্রচারের আগে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যেত। এই নাটকের প্রধান চরিত্র শাহেদ (পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়), সীমু (আফরোজা বানু) যেন জাতীয় ভাই-ভাবিতে পরিণত হয়েছিল। মধ্যবিত্ত পরিবারের আদর্শ স্ত্রী ও স্বামীর সার্থক চিত্রায়ণের কারণে ঘরে ঘরে সবাই যেন তাঁদের আদর্শ অনুকরণ করতেন। এখনকার মতো বিদেশি চ্যানেল দেখে, পাখি চরিত্রের পোশাক কেনা নিয়ে আত্মহত্যা কিংবা স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার মতো শিক্ষা দর্শকরা পাননি। কারণ এখন সেই ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘ঢাকায় থাকি’, ‘কোথাও কেউ নেই’ বা ‘এইসব দিনরাত্রি’র মতো ধারাবাহিক নেই। সবাই কেমন যেন ‘বাণিজ্য’তাড়িত। আমার মনে পড়ে, ‘সকাল সন্ধ্যা’য় শাহেদ ও সীমুর দেড় বছরের কন্যা চরিত্রের বুবলি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় বিভিন্ন উপসনালয়ে প্রার্থনা শুরু হয়েছিল, যেন তার মৃত্যু না হয়। ‘সকাল-সন্ধ্যা’র রওশন জামিলের অভিনয় দেখে সত্যজিৎ রায় চিঠি লিখেছিলেন, তিনি যেন নিজের মাকে দেখছেন। বাকের ভাইকে নিয়ে মিছিলের খবর তো সবাই জানেনই। এসব নাটক থেকে আমরা যে শিক্ষা পেয়েছি, আজকালকার মোবাইলভিত্তিক খাইছে, গ্যাছে, করছি, ধরছি মার্কা অদ্ভুত সব নাটকে তা পাই না। এখন কেন যেন সব জায়গায়ই কমিটমেন্টের অভাব। শুধু নাটকই নয়, তখন প্রতিটি অনুষ্ঠানই ছিল মৌলিক। আর এখন মৌলিক অনুষ্ঠান খুঁজে পাওয়াই কঠিন। মনে পড়ে হেদায়েত হোসাইন মোরশেদের ‘স্বজনে বিজনে’ অনুষ্ঠানটির কথা। কত পরিচ্ছন্ন একটি অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তুলে আনা হতো আমাদের গাঁওগেরামের শিল্পীদের। সে সময় উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান হিসেবে কৃষকদের কাছে একটি জনপ্রিয় নাম ছিল ‘মাটি ও মানুষ’। ১৯৮২ সালে এ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পান প্রযোজক আলীমউজ্জামান। অনুষ্ঠানটিকে কৃষিভিত্তিক করা এবং কৃষকদের জন্য দরদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলীমউজ্জামান এটিকে এগিয়ে নিয়ে যান।
১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠানে অন্যতম উপস্থাপক হিসেবে যাত্রা শুরু করেন সে সময়ের জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার অন্যতম বিতার্কিক রেজাউল করিম সিদ্দিক। বিগত তিন দশকে ‘মাটি ও মানুষ’ পরিণত হয়েছে দেশের কৃষি ও কৃষকের ব্র্যান্ডে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল স্লোগানেও যুক্ত হয়েছে ‘মাটি ও মানুষ’-এর নাম। এখনো এই অনুষ্ঠান চলছে সরকার বা টেলিভিশনের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই এর উপস্থাপকের আন্তরিকতায়।
সময়ের বিবর্তনে একসময় টেলিভিশনকে ঘিরে শুরু হয় প্যাকেজ আন্দোলন। জন্ম নেয় প্যাকেজ প্রোগ্রাম। ১৯৯২ সালের প্রথম দিকে প্রোগ্রাম ক্রয় ও প্রচারের সিদ্ধান্ত নেয় টেলিভিশন। তারপর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৯৯৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই প্যাকেজ অনুষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘ইত্যাদি’। এটাই ছিল বেসরকারিভাবে নির্মিত প্রথম প্যাকেজ অনুষ্ঠান।
টেলিভিশন আমাদের আধুনিক জীবনের এক অপরিহার্য অঙ্গ। টেলিভিশন আমাদের শরীর, মন, মনন, আবেগ, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনকে প্রভাবিত করে। আধুনিক যুগে টেলিভিশন আমাদের দৃষ্টিগ্রাহ্য অভিজ্ঞতার ব্যাপক সমৃদ্ধি ও বিস্তার ঘটিয়েছে।
তাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দায়িত্ব অনেক। প্রাইভেট টেলিভিশনগুলো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অনেক কিছুই করতে পারে এবং করেও। কিন্তু বিটিভি কোনো ইভেন্টের মাধ্যমে কিংবা কয়েক মাস পর পরই কোনো প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান করে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে পারে না। এখনকার টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে ‘রিয়ালিটি শো’র নামে এক ধরনের বাণিজ্য শুরু হয়েছে। যে হারে এসব রিয়ালিটি শো হচ্ছে, সেই হারে শিল্পী তৈরি হচ্ছে না। অথচ টেলিভিশনে শুরু হওয়া মৌলিক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পাওয়া শিল্পীরা এখনো সবার প্রশংসাধন্য হয়ে মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার সংখ্যাও অনেক।
টিভির মূলকথা শিক্ষা, তথ্য ও বিনোদন বিটিভিকে মেনে চলতে হয়। শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠান করতে পারে না। স্পন্সর না পেলেও শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, জনসংখ্যা, কৃষি, পরিবেশসহ নানা বিষয়ে অনুষ্ঠান নির্মাণ করতে হয় বিটিভিকে। বেসরকারি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে সরকারি চ্যানেলের পার্থক্যও এখানে। তা ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের দর্শকসংখ্যা এখনো অনেক বেশি। কারণ বিটিভি দেশের একমাত্র টেরিস্ট্রিয়াল চ্যানেল। তাই বিটিভির মাধ্যমেই দেশের বেশির ভাগ দর্শক শিক্ষা, সংস্কৃতি, জনসংখ্যা, জনস্বাস্থ্য, কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বিভিন্ন পরামর্শ পান। ১৯৬৪ সালের পর বাংলাদেশে টেলিভিশনের জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে একুশে টেলিভিশন, ২০০০ সালে। একুশে টেলিভিশন তার অনুষ্ঠানবৈচিত্র্য, মেধা, মনন ও সংবাদ পরিবেশনের ভিন্নতায় খুব স্বল্প সময়ে দর্শক পছন্দের শীর্ষে থেকেও বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছিল। এরপর আস্তে আস্তে একটি-দুটি করে অনেকগুলো চ্যানেল। কিন্তু সবাই যেন একই আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। এদের অনেকেই অনুষ্ঠানের মানের চেয়ে আত্মপ্রচারে মগ্ন। অথচ এই প্রতিযোগিতার বাজারে বিটিভিকে আস্তে আস্তে অজনপ্রিয় করে তোলা হচ্ছে। আমি এর আগেও ২০০৯ সালে একটি জাতীয় দৈনিকের মাধ্যমে তথ্যমন্ত্রী সমীপে লিখেছিলাম, এই আকাশ সংস্কৃতির যুগে বিটিভিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বিটিভিতে আরো দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। যাঁরা আছেন, তাঁদেরও বেতন কাঠামো উন্নতির পাশাপাশি উৎসাহ ভাতা দেওয়া প্রয়োজন। বিটিভির অনুষ্ঠানে প্রতিভাবান ও মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ করতে হবে। শিল্পীদের সম্মানী বাড়াতে হবে।
বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে বিটিভির আরেকটি চ্যানেল থাকলেও তা পৃথিবীর সব জায়গায় দেখা যায় না। নামেই ওয়ার্ল্ড, কিন্তু কাজে নয়। অথচ প্রাইভেট চ্যানেলগুলোর দাবি, পৃথিবীর সব মহাদেশে তাদের চ্যানেল দেখা যাচ্ছে। তা-ই যদি সত্যি হয়, তাহলে সরকারি টিভি হওয়া সত্ত্বেও বিটিভি কেন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পিছিয়ে পড়েছে? এর দায় অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। অথচ দেশের বাইরে প্রবাসীদের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার জন্য বিটিভি ওয়ার্ল্ডের বিকল্প নেই। কিন্তু উদ্যোগের অভাবে সেটাও অন্ধকারে আছে। সংসদ টেলিভিশন নামে বিটিভির আরেকটি চ্যানেল রয়েছে। সংসদ চলাকালে সেখানে সংসদ অধিবেশন দেখানো হয়। কখনো পুনঃপ্রচারও করা হয়। কিন্তু সংসদ যখন চলে না, তখন পর্দাজুড়ে সংসদ টেলিভিশন নামক একটি টেলপ আসা-যাওয়া করতে থাকে। পৃথিবীর কোথাও এমন নজির নেই। প্রাইভেট চ্যানেলগুলো যখন প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট বিক্রি করে অনুষ্ঠান চালিয়ে লাভ করছে, তখন বিটিভি ওয়ার্ল্ডও বিটিভির মতো আরেকটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফিবছর কোটি কোটি টাকার লোকসান দিচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন করেন, এসব দেখার কি কেউ নেই? ভালো আঁকতে হলে আঁকার হাত থাকা চাই, গাইতে হলে গানের গলা, গান উপভোগ করতে হলে শোনার কান আর সত্যিকারভাবে দেখতে হলে এবং দেখে বুঝতে হলে দেখার চোখ ও বিবেকের চোখ দুটিই খোলা রাখতে হবে, যে চোখে আমরা কালো কিছুই দেখতে চাই না। আমরা চাই সব কিছুই সাদা। স্মৃতিময় আনন্দ-বেদনার মধ্যে এই মুহূর্তে ‘ইত্যাদি’তে প্রচারিত একটি গানের কথা মনে পড়ছে।
‘আছে/বন্যা প্লাবন খরা
আছে/কষ্ট-দুঃখ জরা
তার পরও এই দেশ আমাদের
প্রাণপ্রাচুর্য্যে ভরা…’
যত দুঃখ-কষ্টই থাক, প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা এই দেশ প্রাণ উজাড় করে দিয়েছে আমাদের জন্য। প্রাণ উজাড় করে দিয়েছে এ দেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ। আমরাও যদি প্রাণ উজাড় করে তার প্রতিদান দিতে পারতাম, তাহলে চিরসুন্দর এই দেশ আরো সুন্দর হয়ে উঠত। ভালোবাসা আর মমতার এত বন্ধন সম্ভবত পৃথিবীর আর কোথাও নেই। দেশের আনাচকানাচে ‘ইত্যাদি’ ধারণ করতে গিয়ে এই শ্যামল-কোমল মাটির মানুষের মনের সেই কোমল স্পর্শ আমরা অনুভব করেছি আমাদের অন্তরে। আর আমাদের সেই সুযোগটি করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। আজ সেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবর্ণ জয়ন্তী। সবাইকে সুবর্ণ জয়ন্তীর অনাবিল শুভেচ্ছা। কামনা করছি, বিটিভি আবারও তার সুদিন ফিরে পাবে।
লেখক : গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, পরিবেশ ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী