• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানীর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী বুধবার

NAGESWARI-FALANY-06.01খলিলুর রহমান, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম): বহুল আলোচিত ফেলানীর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালন হচ্ছে বুধবার। নিহত ফেলানীর দরিদ্র পিতা নুরুমিয়ার বাড়ীতে এর আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মাহফিল।

গত ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারী কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে বি,এস,এফের গুলিতে নির্মম ভাবে নিহত হন কিশেরেী ফেলানী। নিহত ফেলানী হলেন, নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিন রামখানা কলোনিটারী গ্রামের নুরুমিয়ার কন্যা। এ ঘটনাটি দেশবিদেশে মিডিয়ায় ঝড় উঠায় বিজিবিও কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে লাশ ফেরত চেয়ে বিএসএফ কে পত্র প্রেরণ করেছিলেন। ওই সময় সীমান্ত বাসী ও বিডিআর সূত্রে জানা গেছে ৭/৮ বছর পূর্বে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে পাচার কারীর কবলে পরে ভারতের ভূখন্ডে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে নিহতের পিতা নুরুমিয়া সহ অন্য সদস্যরা। সেখানে বেশ কিছু দিন থাকার পর দালালদের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের বঙ্গাই গাঁও গ্রামে টলঘরে পানের দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করতে শুরু করে। দীর্ঘ দিন সেখানে কাজে নিয়োজিত থাকার পর দেশে ফেরার জন্য চৌধুরী হাট খেতাবের কুটি সীমান্তের ৯৪৭ এর থ্রী-এস পিলার সন্নিকটে আসে তারা। ভারতীয় চোরাকারবারীদের অর্থের বিনিময় সহযোগীতা নিয়ে কাঁটাতারের বেড়া বাঁশের মইয়ের সাহায্যে টপকিয়ে আসার পথে সেদিন ভোর সোয়া ৬টার সময় টহলরত বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে নিহত হয় ফেলানি। এ সময় তার লাশ কাটাতারে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা ঝুলিয়ে থাকলেও পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় তার পিতা নুরু মিয়া। গুলির শব্দ ও নিহতের খবর পেয়ে অনন্তপুর বি ও পি’র বিডিআর সদস্যরা ঘটনা স্থলে ছুটে যায় এবং বাংলাদেশী জনসাধারণকে উত্তেজিত না হওয়ার জন্য বাধা দেয়। অনেক চেষ্টার পরেও মেয়েটির লাশ নিয়ে আসতে পারেনি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এ ব্যাপারে ফেলানির পিতা নুরু মিয়া জানান, তার মেয়ের বিচার পাওয়া আসায় তিনি বার বার ভারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসেন। আগামীতে মেয়ে হত্যার সুষ্ঠ বিচার পাবে কিনা এ নিয়ে সংশয়ে রয়েছে তার পরিবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ