সিসি ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী হয়েও হিন্দু সেজে মন্দিরে পূজা করছিলেন ১১ নারী। কিন্তু তাদের আচরণ আর পূজার আনুষ্ঠানিকতা প্রকৃত হিন্দুদের মতো হচ্ছিলনা। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের গ্রেপ্তার করে।
সেইসঙ্গে তাদের মধ্যে ৫ জনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার সকালে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা কুঠিরহাটে এমনই ঘটনা ঘটে।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, মন্দিরে পূজার আড়ালে নারী ও শিশু পাচার কাজ চালাচ্ছিলেন। তারা ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন এলাকায় এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন স্বীকারোক্তির পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুৎফুন নাহার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের মধ্যে ৫ জনকে বিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ছালমা বেগম (৩০) স্বামী মো. দিলান, রাবেয়া বেগম (২৫) স্বামী চাসতু মিয়া, রহিমা বেগম (২৭) স্বামী জনাব আলী, পুতুল (৪০) স্বামী মাখন মিয়া, ছবুরা খাতুন (৩৫) স্বামী মানিক মিয়া।
তাদের সবার বাড়ি ঢাকা জেলার নবীনগরে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার কুঠিরহাট কালী বাড়িতে ১১জন নারী মুসলমান হয়েও তাদের পরিচয় আড়াল করে হিন্দু সেজে পুজার কাজকর্ম চালায়। তাদের চলাফেরায় সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন ১১জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাদের আটক করে শনিবার সন্ধ্যায় থানায় নিয়ে আসে।
পরে রোববার সকালে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে পাঁচজনকে ২০ দিনের বিরাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে বাকী ছয়জনকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ সময় তারা জিজ্ঞাসাবাদে দণ্ড প্রাপ্তরা নারী ও শিশু পাচার কাজে জড়িত বলে স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার প্রতারণার দায়ে পাঁচজনকে কারাদণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উৎস: বাংলামেইল