সিসি ডেস্ক: নীলফামারীর ডিমলায় এক স্কুলছাত্রী ১০ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ওই কিশোরীর মামা তাঁর স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনতে তাকে এক কবিরাজের হাতে তুলে দেন।
ওই কবিরাজই তাকে তন্ত্রমন্ত্র চালানোর কথা বলে কৌশলে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর চাচা গত শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ডিমলা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ওই ছাত্রীর মামা, তাঁর প্রতিবেশী হামিদুল ইসলাম ও ডিমলা উপজেলার ডালিয়া গ্রামের কবিরাজ রফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ছাত্রীর মামাকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মামার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী (১৩)। পারিবারিক কলহের কারণে তার মামি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে ফেরাতে তার মামা প্রতিবেশী হামিদুল ইসলামের মাধ্যমে কবিরাজ রফিকুল ইসলামের কাছে যান। কবিরাজ সব কথা শুনে তাঁর (মামা) কাছে মন্ত্র দেওয়ার জন্য কম বয়সের কুমারী মেয়ে দাবি করেন। সে অনুযায়ী ১০ মার্চ রাতে কবিরাজ মামার বাড়িতে আসে। এরপর কবিরাজের হাতে ওই ছাত্রীকে তুলে দেন মামা। এরপর কবিরাজ একটি অন্ধকার কক্ষে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।
এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই ছাত্রীর নিজ বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলায় পাঠিয়ে দেন মামা। সেখানে চিকিৎসার পর গত শনিবার ওই ছাত্রীর চাচা ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারিছুল ইসলাম বলেন, অভিযানের সময় কবিরাজ রফিকুল ইসলাম পালিয়ে যান। গতকাল রোববার নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। উৎস: প্রথম আলো