সিসি নিউজ: প্রেমিকাকে বিয়ে করার পরপরই প্রেমিক হুমায়ুন কবির (১৮) লাশ হয়েছে। রবিবার ভোরে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের শালনগ্রাম মাঝাপাড়ায় তার মৃত দেহ একটি আম গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। হুমায়ুন ওই গ্রামের কৃষক আনছারুল ইসলাম লেবুর পুত্র ও জলঢাকা আইডিয়াল কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনা নিয়ে ওই এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। রবিবার দুপুর আড়াইটায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হুমায়ুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।ছেলের পিতা এটিকে হত্যাকান্ড বলে অভিযোগ করেছে।
বিভিন্ন সুত্র জানায় একই এলাকার বিদ্যুৎ মিস্ত্রী আব্দুল আজিজের মেয়ে চেওড়াডাঙ্গী স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীর সাথে হুমায়ুনের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। এতে নাকী মেয়েটি তিন মাসের অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত ১০টার দিকে মেয়ে পক্ষের লোকজন হুমায়ুন কে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে প্রথমে মারধর ও পড়ে জোড় পূর্বক মেয়ের বাড়িতেই সেই রাতেই স্থানীয় বেলাল নিকাহ রেজিষ্টাড (কাজী) মাধ্যমে বিয়ে পড়িয়ে দেয়। বিয়েতে ছেলে পক্ষের কোন অভিভাবক বা আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিলনা।
মেয়ের বাড়ির লোকজন সাংবাদিকদের জানায় ছেলে ও মেয়ে তাদের প্রেমের ও দৈহিক সর্ম্পক নিজ মুখে স্বীকারের পর তাদের ইচ্ছায় বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর ভোরে ফজরের সময় হুমায়ুন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার নাম করে মেয়ের বাড়ি হতে বেড়িয়ে আসে। সকালে খবর পাওয়া যায় গ্রামের অদুরে একটি ফাকা স্থানে আম গাছে হুমায়ুন গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
এদিকে ছেলের পিতা থানায় অভিযোগ করেছে তার ছেলে কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে মেয়ে পক্ষ। জলঢাকা থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির জানান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। তবে লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলায় পাঠানো হয়েছে।