রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ‘বাতির নিচে অন্ধকার’ কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলাধীন নাজিমখান ইউপির শরফ উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ভূয়া সনদে চাকুরী করার একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে দফায় দফায় তদন্ত পূর্বক এ সিদ্ধান্ত কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব নূরজাহান বেগম স্বাক্ষরিত একটি পত্র যাহার স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০৬৬.০১.০৯৫.১৩-৪১৪ তাং-১৮-০৬-২০১৫ ইং বিভিন্ন দপ্তরে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে প্রেরিত করা হয়েছে। শরফ উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ও রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো এ ধরণের পত্র আমার হাতে পৌঁছেনি। আগামীকাল (আজ রোববার) অফিস সময় দেখা যাবে। তার পর জানাতে পারবো। অভিযুক্ত সুপার মো. নুরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, শরফ উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে পত্র হাতে পেয়েছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। বর্তমান ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় ইউএনও মহোদয়ের প্রতি স্বাক্ষরে বেতন-ভাতা উত্তোলন হয়ে থাকে। এখন থেকে তার বেতন-ভাতা উত্তোলন করার আর কোন সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে এ ঘটনাটি জানা জানি হলে এলাকা জুড়ে ওই সুপারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।