ঢাকা : দেশের সকল জেলায় শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি- পর্যায়ক্রমে, প্রত্যেক বিভাগে সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সও নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের বিকাশে সকল উপজেলায় মুক্তমঞ্চ করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব আশরাফ শামীম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের জানানো হয়েছে- ডিসিদের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের শূন্য ক্রীড়া কর্মকর্তার পদ পূরণ করা হবে। এ বিষয়ে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এ ছাড়াও সিলেট বিভাগে স্টেডিয়ামের ধসে পড়া দেওয়াল ও ভাঙ্গা অংশ দ্রুত মেরামত করা হবে।’
আশরাফ শামীম জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকগণ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি, তারা জেলাওয়ারি পাটের মূল্য নির্ধারণ ও প্রতিবছর বিজেএমসির পাট গুদামগুলো দেখভালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকারি ক্রয়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্যকে প্রাধান্য দিতে হবে বলেও মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষে থেকে নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূণ্যস্নানের জন্য জায়গা নির্ধারণ ও পূণ্যার্থীদের আবাসন নির্মাণ, রাস্তা সম্প্রসারণ, এবং অবৈধ দখলদার ও দুর্ঘটনা রোধে একটি উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত শিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব আরো বলেন, ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিসিদের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জানিয়েছে, খাঁচায় মৎস্য চাষ কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। ব্রাক্ষ্ণবাড়িয়ার চারটি উপজেলায় মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের জন্য চলমান ইফাদ প্রকল্পটি হাওর এলাকায় সম্প্রসারণেরও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি এও বলেন, ‘পর্যটন বর্ষ সফলভাবে পালনে জেলা প্রশাসকগণ পদক্ষেপ নেবেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশে জেলা প্রশাসকগণ নিজ নিজ জেলার বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত পর্যটন এলাকার তথ্য জরুরিভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। স্থায়ীভাবে পাথর উত্তোলন ও বোমা মেশিন ব্যবহারের ফলে জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়েও জেলা প্রশাসকগণ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’
এ ছাড়া, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যাগেজ হ্যান্ডেলিং ব্যবস্থা উন্নতকরণ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা সমূহে বিমানবন্দর স্থাপন করা এবং নদীকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য জেলা প্রশাসকগণ প্রয়োজণীয় উদ্যোগ নেবেন বলেও এ সময় জানান তিনি।