• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন |

পরিবারসহ নিজেকে উড়িয়ে দিলেন পাকিস্তানি জঙ্গি

পাকিস্তানআন্তর্জাতিক ডেস্ক : সন্দেহভাজন এক জঙ্গি একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন খবরে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সেখানে অভিযান চালায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়িটি ঘিরে ফেলার এক পর্যায়ে ওই জঙ্গি হ্যান্ড গ্রেনেড দিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ নিজেকে উড়িয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার রাতে লাহোর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে শহরের পিরমহল নামে একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

তোবা জেলার পুলিশ কর্মকর্তা শেহজাদ আকবর বলেন, পুলিশের কাছে তথ্য ছিল হাবিবুর রহমান নামে আল কায়দার এক সদস্য শহরের ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে সপরিবারে অবস্থান করছেন।

বৃহস্পতিবার পুলিশ বাড়িটিতে পৌঁছানো মাত্রই তাদের লক্ষ্য করে হ্যান্ড গ্রেনেড ছুড়ে মারে ওই জঙ্গি। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে বাড়িটি চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। চার ঘণ্টা ধরে তাকে আটকের চেষ্টা চালানো হয়। এক সময় বাড়ির ভিতর থেকে প্রচ- বিস্ফোরণের শব্দ আসে।

কিছুক্ষণ পর ভেতরে গিয়ে দেখা যায় ওই জঙ্গির স্ত্রী, তাদের পাঁচ ও সাত বছরের দুই ছেলে মৃত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। সন্দেহভাজন ওই জঙ্গিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তোবা ডিএইচকিউ  হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফয়সালাবাদ আল্লিদ হাসপতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় জঙ্গির আরেক ছোট ছেলে প্রাণে বেঁচে যায়। গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য মুয়াজ্জাম রমজানকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশের পরিদর্শক শাহবাজ আহমেদ ভির্ক জানান, তিন মাস আগে মুলতান থেকে এখানে এসে বাড়িটি ভাড়া নেয় রহমান। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খবর পায় পিরমহলে সে জঙ্গি অবস্থান করছে। বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিটারজেন্ট পাউডার ও সাবান মজুদ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে ছদ্মবেশ ধারণের জন্য সে নিজেকে সাবান ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় অবস্থান করছিল।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, চারটি সুইসাইড জ্যাকেট, ১০টি হ্যান্ড গ্রেনেড, তিনশ গুলি, একটি কালাসনিকভ রাইফেল, ১৩টি পিস্তল, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি কম্পিউটার ও বেশ কিছু সিডি উদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র : দ্য ডন অনলাইন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ