দিনাজপুর প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থীদের মেধাকে দেশ ও জাতি গঠনের কাজে লাগাতে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে দক্ষ ও যোগ্য হতে না পারলে বিশ্বে টিকে থাকা যাবে না।
শুক্রবার (৪ আগষ্ট) বিকেলে দিনাজপুর জিলা স্কুল মিলনায়তনে ৫ম পদার্থ বিজ্ঞান উৎসবে সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
হুইপ ইকবালুর রহিম ডিজিটাল ও সুখি-সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের সময়ে এসএসসির ফলাফল পেতে জানতে জ্জ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমানে ফলাফল ঘোষণা করার সাথে সাথে শিক্ষার্থীরা জানতে পারছে। ঢাকার ভিকারুন নেসা নুন স্কুলের একজন শিক্ষার্থী আর চেরাডাঙ্গী স্কুলের একজন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে তাদের এসএসপি পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারছে। এ সব সম্ভব হয়েছে বিজ্ঞান মনষ্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে।
তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে। বর্তমান সরকার অপটিক্যাল ফাইবার গ্রামাঞ্চলে জনগনের দৌড়গড়ায় পৌছে দিতে ১ কোটি কম্পিউটার ল্যাব সংযোগ দিয়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছে। মোবাইল ফোন দেশের প্রতিটি তরুন হাতের মুটোয় এনে দিয়েছে।
দিনাজপুর সায়েন্স একাডেমীর সভাপতি প্রফেসর ড. বিকাশ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির রাখেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন।
সায়েন্স একাডেমীর ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর জিয়াউল হক সিজারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর পরমানু চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিচালক ডা. বিকে বোস, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতারা পারভীন প্রমুখ। সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন প্রথম আলোর দিনাজপুর প্রতিনিধ আসাদুল্লাহ সরকার।
আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হুইপ ইকবালুর রহিম অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে ৫ম পদার্থ বিজ্ঞান উৎসবে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদপতু তুলে দেন।
উল্লেখ্য, ৫ম পদার্থ বিজ্ঞান উৎসবে সপ্তম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ৩টি গ্রুপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় দিনাজপুর জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আমেনা বাকী, হলি ল্যান্ড কলেজ, চেরাডাঙ্গী স্কুল, শিকদার গার্লস স্কুল, চেহেলগাজী শিক্ষা নিকেতন, ইকবাল হাই স্কুল, পুলিশ লাইন হাই স্কুল, কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, ল্যাবরেটোরি স্কুল, বিরল, চিরিরবন্দর উপজেলাসহ ৩৫টি স্কুল-কলেজের ৮৪৩ জন ক্ষুদে বিজ্ঞানী অংশ গ্রহন করে।