• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন |

আসামে বন্যায় নিহত সংখ্যা ১৩

asam_81975আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে শুক্রবার বন্যায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত চারদিনে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হলো।

রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা সংগঠন জানিয়েছে ব্রহ্মপুত্র, দিসাঙ, ধানসিঁড়ি, জিয়া ভরালি, বেকি আর কুশিয়াড়া নদীগুলিতে জল বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে।আসাম সরকার বলছে, আজ যারা বন্যায় মারা গেছে, তাঁদের মধ্যে গোয়ালপাড়া ও ডিব্রুগড়ে দুজন করে আর মোরিগাঁওতে মারা গেছেন একজন। এ নিয়ে সর্বশেষ দফার বন্যায় ৩১ আগস্ট থেকে মোট ১৩ জন মারা গেলেন।

জোরহাট, তেজপুর, গুয়াহাটি, গোয়ালপাড়া আর ধুবরীতে ব্রহ্মপুত্র নদ বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। একই সঙ্গে দিসাঙ, ধানসিঁড়ি, জিয়া ভরালি, বেকি আর কুশিয়ারাতেও জল রয়েছে বিপদসীমার ওপরে। আজ রাজ্যের আরও দুটি জেলায় বন্যা ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে ২১টি জেলা এখন বন্যা কবলিত।
তবে এই দফার বন্যায় এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বরপেটায় জেলায় যেখানে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছেন।
আসামের বিপর্যয় মোকাবিলা সংগঠন বলছে কয়েকটি এলাকা থেকে জল নামলেও ঢেমাজি,ডিব্রগড়, নলবাড়ি, শোনিতপুর জোরহাট, দরং, কাছাড় আর গোয়ালপাড়া জেলাগুলি সহ গোটা রাজ্যের দুহাজারেও বেশী গ্রামে বন্যার কবলে।
রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ১৪০টি নৌকা নিয়ে দূরবর্তী এলাকাগুলি থেকে মানুষকে উদ্ধার করে নিয়ে আসছেন।
তবে অনেক এলাকায় এখনও সরকারী ত্রাণ না পৌঁছনোর ফলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩২০ টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় দু’লাখ মানুষ। প্রতিটি বন্যা কবলিত জেলাতেই সেতু, কালভার্ট, রাস্তা আর নদী-বাঁধ ভেঙে গেছে। -বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ