নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের ঢলুয়াবাড়ী গ্রামের সারতী রানী (২২) নামক , এক নারী রুগী কচাকাটা বাজারে চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তারের চেম্বারে স্বয়ং ডাক্তার কর্তৃক যৌন হয়রানীর স্বীকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার সকালে কচাকাটার পল্লি চিকিৎসক আলতাফ হোসেনের আলতাফ মেডিকেল ষ্টোর কাম চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসলে ওই চিকিৎসক তাকে বিছানায় যেতে বলে। শোয়া অবস্থায় চেক-আপের একপর্যায় শরীরের নানা স্থানে হাত দেয় ওই চিকিৎসক। এমন কি ওই নারীকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। ধ্বস্তা ধ্বস্তির এক পর্যায় চেম্বার থেকে বের হয়ে এসে ওই নারী বাইরে অপেক্ষারত স্বামী কালাচানকে বিষয়টি জানায়।
এদিকে কালাচান বাজারের লোকজনকে বিষয়টি জানালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে সুযোগ বুঝে আলতাফ হোসেন চেম্বার বন্ধ করে পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা উক্ত মেডিকেল ষ্টোর কাম চেম্বার ২ ঘন্টা ঘেরাও করে রাখে। পরে বিষয়টি স্থানীয় কয়েকজন নেতা মিমাংসা করে দিবে বলে আশ্বাস দিলে উত্তেজনা প্রমশিত হয়। কিন্তু ঘটনার একদিন পেরুলেও কোন বিচার না হওয়ায় ক্ষুব্দ এলাকাবাসী ।
যৌন হয়রানির স্বীকার ওই নারী জানায়, পল্লীচিকিৎসক আলতাফ হোসেন তার কাপড়ের নিচদিয়ে বুকে হাত দেয় এবং যাপটে ধরে। তার স্বামী কালাচান জানায় চিকিৎসার জন্য এসে এরকম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তার স্ত্রী। এ ঘটনার সঠিক বিচার চান তিনি।
অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক কেদার ইউনিয়নের গোলের হাট গ্রামের আব্দুল মান্নানের সন্তান আলাতাফ হোসেন (৩০) জানায়, ঘটনাটি বানোয়াট, আমি শুধু তাকে চেক-আপ করেছি মাত্র।
কচাকাটা থানার ওসি জানান, বিষয়টি জেনেছি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।