ঠাকুরগাঁ ও ডোমার প্রতিনিধি: গোখড়ো সাপের কামড়ে তিন সন্তানের জননী শাবানা আক্তার নামের এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারী ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের উত্তর গোমনাতী গ্রামে। নিহত গৃহবধু আসাদুজ্জামানের স্ত্রী এবং একই এলাকার অফিজ উদ্দিনের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা রবিবার সন্ধ্যায় গরুকে কুড়ো খাওয়ানোর জন্য ঘরে ভেতর থাকা বস্তায় কুড়ো বের করার সময় বস্তায় ভিতরে লুকিয়ে থাকা গোখড়ো সাপ তার হাতে ছোবল মারে।তাকে বাঁচাতে কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে যায় কবিরাজ ব্যর্থ হয়। এরপর ওই গৃহবধুকে নেয়া হয় ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে । এখান থেকে রংপুর মেডিকেলের কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে সোমবার ভোরে মারা যায়।
গৃহবধু লাশ বাড়িতে আনলে পরিবারের লোকজন মনে করেন কবিরাজ দ্বারা সাপে কাটা মৃত ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব(?)। সে অনুযায়ী আরেক কবিরাজ ডেকে আনা হয়। চেষ্টা চলে মৃত ব্যাক্তিকে বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা সোমবার বিকাল পর্যন্ত। অবশেষে সেই কবিরাজ হাল ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। বাদ এশা ওই গৃহবধুর লাশ দাফন করা হয়। গোমনাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার রাতোর বাবুরিয়া গ্রামে বিষাক্ত সাপের কামড়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার মুশিল চন্দ্র রায়ের পুত্র মুজিল চন্দ্র রায় (৩৫) কে বাড়ির পার্শ্বে বিষাক্ত সাপ ছোবল দেয়। মুজিল ব্যথা অনুভব করলে বাড়ির লোকজন রানীশংকৈল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
এসময় উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল কর্মকর্তা সাহিদুর রহমান সোহাগ তাকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুজিল চন্দ্র রায় মারা যায়।
এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনর্চাজ সুকুমার মোহন্ত মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত হয়ে বলেন, সাপের কামড়ে মারা গেলে ইউপি চেয়ারম্যান তদন্ত করে দাফন কিংবা চিতাই দাহ করার অনুমতি দিতে পারেন ।