মোহাম্মদ সাকিব চৌধুরী, খানসামা (দিনাজপুর): দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় দিন দিন বেড়েই চলেছে শিশু শ্রমিকদের সংখ্যা। যে সময় এদের হৈ হুল্লোর করে স্কুলে যাবার কথা, সে সময় এরা সামান্য মুজুরির জন্য মারাত্নক ঝুকি নিয়ে কাজ করছে এসব ওয়েলডিল ওয়াকসর্পে। তাদের তৈরীকৃত এসব আসবারপএ সম্ভব্য অচিরের স্থান করে নিবে অন্যকারো ঘরে। আর নিত্য অভাবের তাড়নায় এসব শিশুরা আবারও নামবে জীবন যুদ্ধে। হয়তো অন্যকারো ঘরের সৌখিন জিনিস তৈরীতে। আর দারিদ্রের কষাঘাতে বড় শহর, জেলা শহরের পাশাপাশি মফস্বলেও বেড়েই চলেছে শিশু শ্রমিকদের সংখ্যা। সরকারিভাবে শিশু শ্রম নিষিদ্ধ হলেও আইনের কাযকারিতা না থাকায় তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। খানসামায় তেমন বড় কোন শিল্প-কারখানা না থাকলেও গ্রামের ঝরে পড়া শিশুরা কৃষিকাজ থেকে শুরু করে, অনেকেই বিভিন্ন দোকান, মিল, হোটেল, ওয়েলডিল ওয়াকসর্পে কাজ করছে। এমনকি অটোরিক্সা ভ্যান চালাতে দেখা যাচ্ছে । আবার তাদের দেওয়া হচ্ছেনা ন্যায মুজুরি । অশিক্ষিত বাবা-মায়ের অসচেনতা আর সমাজের দায়িত্বশীল কর্মকতাদের উদাসিনতার কারণেও স্কুল থেকে ঝড়ে পরে শিশু বাড়ছে শিশুশ্রম। পাকেরহাট হাসপাতাল মোড়ে গত শুক্রবার সকাল ১০টায় দেখা যায় যে এখানকার ৪টি হোটেল এর যে কয়জন কর্মচারী ছিল তাদের প্রত্যেকের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছর। খানসামার একটি হোটেল ১০-১২ বছরের শিশু শ্রমিক রিমন জানায়, এখানে কাজ শেখার জন্য তার বাবা-মা তাকে এখানে পাঠিয়েছে। তার বেতন মাসে মাত্র ৫০০টাকা। তাই অনেকেই মনে করেন, সামাজিক,সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে গন-সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। আর এজন্য সরকারের পাশাপাশি সকলের এগিয়ে আসতে হবে।