চিলমারী প্রতিনিধি: চিলমারীতে গৃহবধুর হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে চলছে এলাকায় নানা গুঞ্জন। স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে স্বামী পালায়নকে কেন্দ্র করেও বাড়ছে রহস্য। পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা।
জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর আগে চিলমারী উপজেলার সীমান্ত চর মাদারী পাড়া এলাকার দেলোয়ার মিয়ার ছেলে বাবলু মিয়া তার খালাত বোন গাইবান্ধা জেলার গবিন্দগঞ্জ উপজেলার হামিদ পুর চিচতিপাড়া এলাকার আয়নাল হকের মেয়ে রাশেদার সাথে সম্পর্ক করে বিয়ে করেন। এবং স্ত্রীকে গ্রামের বাড়িতে রেখে বাবলু চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পিকাপ ভ্যাল চালিয়ে সংসার চালিয়ে আসছেন। ইতি মধ্যে গত প্রায় ৪ মাস আগে তাদের কোল জুরে একটি কন্যা সন্তান আসে তার নাম বন্যা। গত কয়েকদিন আগে বাবলু তার গ্রামের বাড়িতে আসে। এবং ঘটনারদিন সকালে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়াও হয়। শুধু ঝড়গাকে কেন্দ্র করে তিন মাসের কন্যা সন্তানকে রেখে হঠাতেই মঙ্গলবার সকালে বিষ খেয়ে তার আতœহত্যাটি এলাকায় আলোচনার ঝড় তুলে দিয়েছে। এটা পরিকল্পিত হত্যা না আত্মহত্যা এটাই এখন রহস্য। এদিকে কিটনাশক (বিষ) খাওয়া স্ত্রীকে চিলমারী হাসপাতালে ফেলে স্বামীর পালানোর ঘটনাটি আরো রহস্য জনক হয়ে উঠেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল প্রায় ১১ টার দিকে দুজন লোক বিষ খাওয়া একজন মহিলাকে নিয়ে আসে এবং তার স্বামী পরিচয় দেয়। পরে তারা মহিলাটিকে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়। কর্তবরত ডাক্তার জানান মহিলাটিকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসে তখন তিনি বেঁচে ছিলেন ওয়াস করে কিটনাশক (বিষ) বের করার সময় সে মারা যায়। রাশেদার মা অভিযোগ করে বলেন আমার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে সে আত্মহত্যা করতে পারে না। তবে এরিপোট লেখো পর্যন্ত মৃত্যের স্বামী ও তার শশুর বাড়ির লোকজনের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মজনুর রহমান জানান এব্যাপারে একটি ইউডি মামলা হয়েছে।