নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করলেন নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বাল্য বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে গেলো বর সহ সকল অভিভাবক ও নিকাহ রেজিষ্টার। এ ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামে।
ভ্রাম্যমান আদালত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পায় যে, টুপামারী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কামারপাড়া গ্রামের একরামুল হকের সপ্তম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে রেখা আক্তার (১৪) এর সাথে পার্শ¦বর্তী ইটাখোলা ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে মিঠুন মিয়া (১৮)’র সাথে বাল্য বিয়ের আয়োজন চলছে। ইতিমধ্যে বরযাত্রী কনের বাড়িতে চলে এসেছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে নীলফামারী থানা থেকে এসআই তপন কুমার রায় এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে। পুলিশ পৌছার আগেই কোনভাবে খবর পেয়ে কনের বাড়ির সকল লোকজন ও বর সহ বরযাত্রীরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে টুপামারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মছিরত ফকির শাহ জানান, তার এলাকায় বাল্য বিয়ে হচ্ছে সেটি তার জানা ছিল না। ঘটনাস্থলে এসে জানতে পেরেছি ছেলে ও মেয়ের দুইজনেরই বিয়ের বয়স হয়নি। তাই বাল্য বিয়েটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে নীলফামারীর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবেত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।