• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন |

ইপিজেডে গণধর্ষিতা নারী শ্রমিককে রংপুরের ওসিসিতে স্থানান্তর

ধর্ষণসিসি নিউজ:  নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডের একটি শিল্পকারখানার গণধর্ষনের শিকার ওই নারী শ্রমিককে(১৮) শুক্রবার সকাল ১১টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থিতি ওয়ানষ্টপ ক্রাইসেস সেন্টারে(ওসিসি) স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক। অপর দিকে এই গণধর্ষনের ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে গুলজার রহমান (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে।

নীলফামারী থানার ওসি শাহজাহান পাশা জানান গণধর্ষনের সাথে জড়িত সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাটের মোবাইল ব্যবসায়ী গুলজার রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি অপর তিন জনকে খুঁজে বের করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডের ভ্যানচুরা ব্যাগ তৈরী শিল্প প্রতিষ্ঠানের এক সংখ্যালঘু নারী শ্রমিক বুধবার রাত ৯টার দিকে ওভারটাইম শেষে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে নীলফামারীর সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাট নামক স্থানে চার যুবক তাকে আটক করে একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে জোড়পূর্বক একে একে গণধর্ষন করে পালিয়ে যায়। গণধর্ষিতা আত্মচিৎকারে পথচারীরা তাকে এলাকাবাসীর সহায়তায় উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় রাতেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তরুনী নিজে বাদী হয়ে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করে। এ ছাড়া ডাক্তারী পরীায় গণধর্ষনের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানায় সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহ মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন। সুত্র মতে গণধর্ষিতা ওই নারী শ্রমিকের প্রচুর রক্তক্ষরন হওয়ায় তাকে শুক্রবার সকাল ১১টায় সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থিতি ওয়ানষ্টপ ক্রাইসেস সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ধর্ষিতার উন্নত চিকিৎসার জন্য সহায়তা করছে বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস।

ওই নারী শ্রমিক নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের আরাজি শিমুলবাড়ি গ্রামের দীনেশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে। সে গত তিন মাস থেকে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ভ্যানচুরা শিল্প প্রতিষ্ঠানে নারী শ্রমিক হিসাবে কর্মরত। এ জন্য সে নীলফামারীর সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় বিশ্বস্বর মাষ্টারের বাড়ির একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতো।এদিকে অভিযোগ উঠেছে ইপিজেডের শিল্পকারখানাগুলোর কর্তৃপ নারী শ্রমিকদের দিয়ে জোড়পূর্বক অতিরিক্ত সময়( ওভারটাইম) কাজ করিয়ে রাতে বাড়ি যাওয়ার জন্য ছেড়ে দেয়। ফলে ওই সব নারী শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে রাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক নারী শ্রমিক বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন মালিকপ নিজের ব্যবসায় লাভ দেখেন কিন্তু নারী শ্রমিকদের নিরাপক্তা দেননা। তারা সন্ধ্যার আগেই তাদের ছুটে দেয়ার দাবি জানায়। এ ব্যাপারে তারা উর্ধ্বতন কর্তৃক পরে হস্তপে কামনা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ