সিসি ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের এড়াতে পশ্চিম গেট দিয়ে বেরিয়ে গেছেন পাক হাইকমিশনার সুজা আলম। পশ্চিম গেট দিয়ে বেরিয়ে যেতে তাকে সহযোগিতা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
সোমবার দুপুর ৩টা ৩ মিনিটে তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর ৩টা ১০ মিনিটের দিকে পররাষ্ট্র সচিব মো. মিজানুর রহমানকেও বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
এর আগে দুপুর আড়াইটায় গণমাধ্যমকর্মীদের এড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে না গিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যান বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলম।
সোমবার বেলা আড়াইটার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে তাকে দেখা করতে বলা হয়। রোববার মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা হাইকমিশনে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়ে এ তলব করা হয়েছিল।
বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর নিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আপত্তিকর’ বিবৃতির জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করা হয়। একইসাথে বিবৃতির ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব মো. মিজানুর রহমানের বৈঠক চললেও সেখানে গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছিল তা নিয়ে কিছু জানতে পারেননি সাংবাদিকেরা।
দুপুরে পদ্মা ভবনের গেটের সামনে জড়ো হন বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা। তারা সেখানে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেক ফটোসাংবাদিক গেটের ওপর উঠে ছবি তোলার চেষ্টা করেন।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ করতে না দেয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন তারা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পাক হাইকমিশনার সুজা আলমের বৈঠকের সংবাদ নিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের সামনে মগবাজার রোডের অবস্থান করছিলেন সাংবাদিকেরা। গণমাধ্যকর্মীদের এড়াতে পাক হাইকমিশনার পদ্মার উল্টো দিকে পশ্চিম গেট দিয়ে বেরিয়ে যান।
এ ঘটনাকে পাক হাইকমিশনারের ‘পলায়নপরতা’ বলে আখ্যা দেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের অনেকেই।