• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দেড়’শ আসনে নৌকা-ধানের শীষ মুখোমুখি

মার্কাসিসি ডেস্ক: শীত জেঁকে বসছে গ্রামাঞ্চলে। কিন্তু সেই শীত পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী থেকে ভোটারদের মাঝে কোনো রকমে প্রভাব ফেলতে পাড়ছে না। নাওয়া খাওয়া নেই প্রার্থীরা ছুটছেন দ্বারে দ্বারে। কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে প্রচারণা। সাত বছর পর আবারও নৌকা ও ধানের শীষের তীব্র লড়াই চলছে অন্তত তৃণমূল পর্যায়ে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ২৩৪টি পৌরসভা নির্বাচনে ২০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। তবে অধিকাংশ পৌরসভায় মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যেই মূল লড়াই চলছে। নৌকা-ধানের শীষের পাশাপাশি লাঙ্গল, মশাল, কাস্তে, হাতুড়ি, হাতপাখা, আম, দেয়ালঘড়ি আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চামচ, মগ, মোবাইল ফোন, নারিকেল গাছ প্রতীক শোভা পাচ্ছে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে। মসজিদ থেকে মাদ্রাসা, হাট বাজার, চায়ের দোকান, বাড়ি বাড়ি চলছে প্রচারণা। প্রার্থীদের বাছাই করছেন ভোটাররা। মুখে কিছু বলছেন। ভোট দিতে পারবেন তো এমন আশঙ্কা রয়েছে কারো কারো। তবু তারা ভোট দিতে চান। নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে চান। সে দায়িত্ব কতটুকু নির্বাচন কমিশন পালন করতে পারবে তা বোঝা যাবে নির্বাচনের দিন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা এমন আশংকাও করছেন তাদের অনেকে।

প্রথমবারের মতো পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে পৌর নির্বাচন অনেকটা রূপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচনে। বিতর্কিত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যারা ভোট দিতে পারেন নি তারা মুখিয়ে আছে ভোট দেবার জন্যে। সেই ভোট কোন বাক্সে পড়বে এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রার্থীর চেয়ে প্রতীকই প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে এ লড়াই অনেকটাই প্রকাশ্য হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীন দল হওয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের যে সুবিধা রয়েছে তা কিছুটা তিরোহিত হয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রচারণা। ইতিমধ্যে তাদের বহিস্কার করা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে বিএনপি’তেও। আর জামায়াতের ভোট কারা টানতে পারবেন নাকি ওসব ভোট স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বাক্সে পড়বে সে নিয়েও শোনা যাচ্ছে নানা ধরনের মন্তব্য। অনেক পৌরসভায় দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হলেও তাদের ভরসা দলীয় প্রতীক। আর দলগুলোর হাইকমান্ডও তাকিয়ে আছে তাদের দিকে।

নির্বাচন কমিশনের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে ৯২৩ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ৬ জন মেয়র প্রার্থী জয়ী হওয়ায় সারা দেশে আওয়ামী লীগের ২২৮ জন, ১০ পৌরসভায় প্রার্থী না থাকায় বিএনপির ২২২ জন, জাতীয় পার্টি ৭৩, স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী এবং জামায়াতসহ) ২৭১ এবং অন্যান্য ১২৫ জন মেয়র প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।

আপাতত বিশ্লেষণে কমবেশি দেড়’শটি পৌরসভায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যেই। আর প্রায় ৫০টি পৌরসভায় বড় দুই দলের প্রতীকের সঙ্গে লাঙ্গল ও বিদ্রোহী প্রার্থীর ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে। এছাড়া ২৫ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে তাদের দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বতন্ত্র (জামায়াতসহ) প্রার্থীর মধ্যে হবে চতুর্মুখী লড়াই। তবে চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাশাপাশি জেএসএস প্রার্থীর লড়াই হতে পারে। এছাড়া বেশ কয়েকটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মূল প্রার্থীর সঙ্গে দুই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ