• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন |

দিনাজপুরে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় মহান বিজয় দিবস পালিত

Chirirbandar Kujkayoj Photo 16-12-2015দিনাজপুর প্রতিনিধি: বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সারা দেশের ন্যায় দিনাজপুরে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস-২০১৫। জেলাবাসি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরন করেছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।
১৬ ডিসেম্বর বুধবার রাত ১২.০১ মিনিটে প্রথম প্রহরে ৩১ বার তোপ ধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এ উপলক্ষে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহন করে। কর্মসুচীর মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, রক্তদান কর্মসূচী, মসজিদে মসজিদে বিশেষ মুনাজাত ও অন্যান্য উপসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, হাসপাতাল-কারাগার, ও শিশু সদনে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন ইত্যাদি।
১৬ ডিসেম্বর দিবসের প্রথম প্রহরে বুধবার রাত ১২.০১ মিনিটে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত শহীদ স্মতিস্তম্ভে পুস্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন। এর পর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সিদ্দিক গজনবীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ। এর পর শদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর পৌরসভার পৌরসভা কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এর পর জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলালীগসহ আওয়ামীলীগের অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জেলা বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ লুৎফর রহমান মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মুকুর চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির নেতৃবৃন্দ, পৌর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মুক্তিযোদ্ধা দল, তাঁতীদল তরুনদলসহ অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জেলা জাতীয় পাটি, দিনাজপুর প্রেসক্লাব ও দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, দিনাজপুর সিভিল সার্জন, বিএমএ ও স্বাচিব দিনাজপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব দিনাজপুর জেলা শাখা, দিনাজপুর জেনালে হাসপাতাললের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি, জেলা জাসদ, কমিউনিষ্ট পার্টি, জেলা জাগপা ও যুব জাগপা, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপ, দিনাজপুর মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা, দিগন্ত শিল্পী  গোষ্ঠি, উদীচী, নবরুপী, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন দিনাজপুর জেলা শাখা, পল্লী শ্রী বালুবাড়ী।
উল্লেখ্য দিসবের প্রথম প্রহরে ও বুধবার সকালে প্রায় শতাধিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন শহীদ স্মতিস্তম্ভে পুস্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ দিকে চেহেলগাজী মাজারে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্বে বিভিন্ন সংগঠন পুস্পাঞ্জলি অর্পনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়াও জেলার সদর উপজেলাসহ ১৩ উপজেলায় মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসন: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর বুধবার গোর-এ-শহীদ বড়মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজে অংশগ্রহন করে দিনাজপুর জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল উচ্চ বিদ্যালয় (বাংলা স্কুল), দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়, জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, ইকবাল উচ্চ বিদ্যালয়, সারদেস্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তফি উদ্দীন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, সেন্ট ফিলিপস্ উচ্চ বিদ্যালয়, মহারাজা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজাম মুনিরা এতিমখানা, দিনাজপুর নোবল মেডিকেল ইনস্টিটিউটসহ শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও শিশু-কিশোর সংগঠনের সদস্যরা। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহন করেন জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম ও পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন। কুচকাওয়াজে ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন শারিরীক কসরত প্রদর্শন করে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন।

চিরিরবন্দরে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত
চিরিরবন্দরে জাঁকজমক ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টায় চিরিরবন্দর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজের সালাম ও অভিবাদন গ্রহন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসন মাহমুদ আলী এমপি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফিরোজ মাহমুদ ও অফিসার ইন্চার্জ মো. আনিছুর রহমান।
বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩১ বার তোপধ্বনী করে রাত ১২ টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে দিবসের সুচনা করা হয়। সকাল ১০ টায় ডিসপ্লে, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, ১২ টায় মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ৩ টায় প্রীতি ফুটবল খেলা, সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু হলে আলোচনা সভা ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
একই দিন মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভ উদ্বোধন ও তার ঐচ্ছিক তহবিল হতে ঋনের চেক ও ত্রানের ঢেউটিন বিতরন করেন।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বুধবার বিকেলে জেল রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠি হয়।
মুক্তিযোদ্ধা দল জেলা শাখার সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের সাবেক সভাপতি মো. মকশেদ আলী মঙ্গলীয়ার সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক কামরুজ্জামানের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান মিন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব রেজিনা ইসলাম, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাহবুব আহম্মেদ, আইনজীবী ফোরাম জেলা ইউনিটের সভাপতি এ্যাড. মো. আব্দুল হালিম, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. তৈমুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম, কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, বীরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোাদ্ধা মো. কবিরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. সোলায়মান মোল্ল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান চৌধুরী খোকা প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল এবং স্বাধীনতার ঘোষকের দল। বিএনপি মুুক্তিযুদ্ধের বিরোধী দল নয়। এই কথাগুলি নতুন প্রজন্মের সন্তানদের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে মুক্তিযোদ্ধাদের এগিয়ে আসতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে সকল ভেদাভেদ ভুলে এক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আসন্ন দিনাজপুর সভার নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান বক্তারা।
শোক প্রকাশ: এদিকে দিনাজপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান সরকারের মাতার ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. সোলায়মান মোল্ল, ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান চৌধুরী খোকা। এক শোক বার্তা নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

হাবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বুধবার হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে ব্যাপক কর্মসূচী নেয়া হয়।
কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মচারী এক বিশাল বিজয় র‌্যালীতে অংশ নেয়। সকাল সাড়ে ৯ টায় শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম, সাদা দল, প্রগতিশীল কর্মকর্তা পরিষদ, অফিসার্স ফোরাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখা, হলসমূহ, প্রগতিশীল কর্মচারী পরিষদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন।
পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর মহান বিজয় দিবসের বাণী পাঠ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়। এর পর ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর. মো. মিজানুর রহমান, কৃষি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. আনিস খান, বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. বলরাম রায়, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সাইফুর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর ড. এটিএম শফিকুল ইসলাম, মেডিসিন সার্জারি এ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক, কর্মকর্তাদের পক্ষে উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. ফেরদৌস আলম, সহকারী রেজিস্ট্রার আনম ইমতিয়াজ হোসেন, হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ নেতা মো. আসাদুজ্জামান জেমী, নাহিদ আহমেদ নয়ন ও মোস্তাফা তারেক চৌধুরী, কর্মচারীদের মধ্যে মো. পারভেজ হোসেন ও মো. আব্দুর রহিম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. রুহুল আমিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু আমাদের বিজয়ের ইতিহাস নয়, আমাদের দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা যোগায় এবং আমাদের উজ্জ্বীবিত করে। কাঙ্খিত অর্জন না হলেও গত ৪৪ বছরে আমাদের অনেক অর্জন হয়েছে, ইতোমধ্যে আমরা নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়েছি। সহস্রবাব্ধ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছি। তথ্য প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা সক্ষম হয়েছি। এসব কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিকভাবে আমরা পুরস্কৃত হয়েছি। মানুষের জীবন যাত্রারমান অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রাম ও শহরের জীবনযাত্রার মানের ব্যবধান কমেছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের উন্নত রাষ্ট্র হওয়া সম্ভব।
বিজয় দিবস উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রীতি ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ