
নীলফামারী: উত্তরের হিমালয় ঘেষা নীলফামারী জুড়ে বৈইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের তীব্রতা। এ অবস্থায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা খানিকটা ব্যাহত হচ্ছে। তিস্তা নদী বিধৌত জেলার ডিমলা উপজেলা আজ শনিবার (১৯ ডিসেম্বর)সকাল ৯টায় সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এখানে বিকাল ৩টায় সর্ব্বোচ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দিন এ জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস । সুত্র সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অফিস। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ডিমলায় সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯।
তিস্তাপাড়ের পুর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর এলাকার মতিন মিয়া মুঠোফোনে জানান কনকনে শীত পড়েছে। ঘর থেকে বের হওয়া মুসকিল হয়ে পড়েছে। ওই এলাকার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কিছামতের চরের বাসিন্দা কেরাম আলী খান জানান শীতের তীব্রতায় আগুনের কুন্ডুরী জ্বালাতে হচ্ছে। এলাকার মানুষজন ক্ষেত কামারে কাজ করতে পারেনি। কৃষকরা তাদের গবাধী পশুর গায়ে চড়িয়েছে চটের ছালা।
ভ্যান চালক ফরমান আলী (৪৫) বলেন, ঠান্ডা বাতাসে রাস্তায় ভ্যান চালানো কষ্ট হচ্ছে। ডিমলার খগাখড়িবাড়ি গ্রামের কৃষক ময়েন কবীর (৫০) বলেন, শীতের কারণে কৃষি জমিতে কাজে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। একারণে স্বাভাবিক কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। অপরদিকে ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক আব্দুল মালেক (২৬) বলেন,‘শীতের কারণে কাজ কমে গেছে। আর যেটুকু মিলছে তাতে মজুরী কম আসছে। পাশাপাশি শীত বস্ত্রের অভাবে পরিবারের দুই শিশু সন্তানসহ দূর্ভোগে আছি।
এদিকে দেখা যায় ডিমলার করাত কলের শ্রমিকরাও উত্তুরী হাওয়ার কারনে কাজ করতে পারেনি। তাদের একটি লকে দেখা যায় আগুনের কুন্ডলী জ্বালিয়ে শত নিবারন করতে।