• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন |

কিশোরগঞ্জে দাখিল মাদ্রাসায় ভুয়া নিয়োগে বিল উত্তোলন

জালিয়াতিবিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ী কামাল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ভুয়া নিয়োগে দীর্ঘ ৬ বছর থেকে বিল উত্তোলন করছে মর্মে অভিযোগ মিলেছে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ী কামাল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভীর পদে মোঃ ছাদেকুল ইসলামকে ভুয়া নিয়োগে গত ১ মার্চ’ ২০০৪ তারিখে মাদ্রাসায় যোগদান দেখানো হয়। পরে ১ফেব্রুয়ারী’২০০৭ তারিখে তাকে এমপিও ভুক্তি করানো হয়। বর্তমান ওই শিক্ষক ২০০৯ সাল হতে নিয়মিত বিল উত্তোলন করছেন। এদিকে এমপিও ভুক্তির পরেও দু’বছর তিনি বিল উত্তোলন না করায় ওই বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামছুল আজম ৩১মে’ ২০০৯তারিখে ভেড়ভেড়ী কামাল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ নুহ ইসলামকে বিধি বর্হিভুতভাবে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাখা চেয়ে চিঠি দেন। তার চিঠির জবাব না দেয়ায় পরে ইউএনও শামসুল আজম ১৬জুন’ ২০০৯তারিখে ওই মাদ্রাসার সুপারকে কৈফিয়ত তলব করেন। তার কৈফিয়তের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ওই জালিয়াতি ঘটনা তদন্তের জন্য এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই তদন্তে দায়িত্বে নিয়োজিত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ-উজ-জামান সরকার ঘটনাস্থল তদন্ত করে ২৪আগষ্ট’২০০৯ তারিখে একটি রির্পোট পেশ করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি গোপনে করা হয়েছে। এখানে  মাদ্রাসার সুপার নুহ ইসলাম’র সংশ্লিষ্টতা প্রমানিত হয়েছে। তিনি এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটিকে প্রতারণামুলক, রহস্যজনক ও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করেন। ঘটনাটিকে আরো স্বচ্ছ করার জন্য মাউশি’র মহাপরিচালকের কাছে নিয়োগের মুল কাগজ ফেরৎ চেয়ে চিঠি লেখার জন্য রির্পোটে পরামর্শ দেন। এদিকে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ওই কাগজগুলো ফেরৎ আসেনি। ফলে জালিয়াতি চক্রের মুল নায়ক বহাল তবিয়তে আছেন। আর ওই ভুয়া শিক্ষকের বিল উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসা শিক্ষক নুহ ইসলাম নিয়োগটি বিধি সম্মতভাবে হয়েছে বলে দাবী করেন। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, মাউশি থেকে কাগজ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ