রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ‘রাজারহাটে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল আটক, অতঃপর’ শিরোনামের সংবাদটি প্রকাশের পর এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এলাকাবাসী কর্তৃক আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল আটক হওয়া ওই বাড়িটিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শনিবার সন্ধ্যায় তালা লাগিয়ে দিয়েছে। সরজমিনে কথা হয় চাকিরপশার তালুক এলাকার বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৩৮), শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি (৩০), আনিছুর রহমান (২৫), রোস্তম আলী (২২), মনোয়ারা বেগম (৩৫), রেশমা বেগম (৪০)সহ একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে। তারা আক্ষেপ করে বলেন, প্রায়ই সময় মনছুর আলীর ওই পরিত্যক্ত বাড়িটিতে তার পরিচিত বিভিন্ন এলাকার যুবক-যুবতীরা এসে রাত্রী পর্যন্ত যাপন করে আসছিল। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পেত না। কিন্তু গত বুধবার দিন দুপুরে মনছুর আলী তার বাড়িতে এক যুবক-যুবতীকে একটি কক্ষে ঢুকিয়ে দিয়ে সে বাড়ির পাশে চলে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে একদল যুবক এসে ওই প্রেমিক যুগলকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করলে মনছুর আলী সটকে পড়ে। এখন পাল্টা বাড়ির মালিক ওই যুবকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করবে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই বাড়িটিতে তালাবদ্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে বাড়ির মালিক মনছুর আলীর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে কিছু যুবক আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। আমার বাড়ি নাজিমখায় আপনি বলেন, নাজিমখা থেকে এসে এখানে আমি প্রভাব খাটাবো কি করে। এসব মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেয়ার কথা তিনি জানান।
মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী আর নেই
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলাধীন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপির খিতাবখাঁ এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী (৭৫) আর নেই। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে… রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি ২ স্ত্রী, ২ পুত্র, ৫ কন্যাসহ অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টায় তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রজব আলী, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সাদেকুর রহমান, রাজারহাট থানার এস আই আল-হেলাল মাহমুদসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।