• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সপরিবারে আত্মগোপনে সেই শাবি শিক্ষক

সিলেটসিলেট: প্রাইভেটকার চাপায় দু’জন নিহতের পর সপরিবারে আত্মগোপনে চলে গেছেন ওই গাড়ির চালক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. আরিফুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে শাবির প্রধান ফটকের সামনে ড. আরিফুল ইসলামের প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাণ হারান এক কলেজ শিক্ষকসহ দুই জন। আহত হন আরো তিন জন।

ড. আরিফুল নিজের প্রাইভেট কার নিয়ে গাড়ি চালানো শিখছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। একপর্যায়ে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে তিনি পথচারীদের ধাক্কা দেন।

এতে নিহত হন লেখক ও কলেজ শিক্ষক শেখ আতাউর রহমান ও তার মামা গিয়াস উদ্দিন। আহত হন আতাউর রহমানের মেয়ে রাহিবা আক্তারসহ তিনজন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া এই মেয়েকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় দেখাতে নিয়ে গিয়েছেন আতাউর রহমান।

এদিকে, দুর্ঘটনার পরপরই শাবি শিক্ষক ড. আরিফুল ইসলাম সপরিবারে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিলেট জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর থেকেই শিক্ষক আরিফুল ইসলামের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। স্ত্রীসহ তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন।

আখতার জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে, ড. আরিফুল ইসলাম ক্যাম্পাসের বাইরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই অধ্যাপক আরিফুল বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলেও এরপর তাকে আর কোথাও দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া বলেন, তার সাথে এখন পর্যন্ত আমার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি, আমি শুনেছি চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি (আরিফ) বাসা ছেড়ে চলে যান।

ওই শিক্ষক কোথায় আছেন তা প্রক্টরিয়াল বডি জানে না উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সামিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পর স্পটে অধ্যাপক আরিফের সাথে আমাদের দেখা হয়েছিল। এরপর থেকে প্রক্টরিয়াল বডির সাথে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি।

তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে দাবি করে তিনি আরো বলেন, আমি সকালে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার মোবাইল বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করতে পারিনি।

এ ব্যাপারে কথা বলতে একাধিকবার ড. আরিফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে শিক্ষক হিসেবে ড. আরিফুল ইসলাম বেশ জনপ্রিয় ও ক্যাম্পাসে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন শাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ