রংপুর: রংপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শাফিউল ইসলাম শাফীকে গ্রেফতারের দাবিতে এসপি অফিস ঘেরাও করে এসপিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।
এ সময় পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি হয় নেতাকর্মীদের। তবে এই দাবিকে অযৌক্তিক এবং জনপ্রিয়তার ভীত হয়ে করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে শাফি ও তার পরিবার।
মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগের বেতপট্টিস্থ পার্টি অফিস থেকে বের একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এসপি অফিস ঘেরাও করে। এ সময় নেতাকর্মীরা অফিসের ফেতের ঢুকতে চাইলে তাতে পুলিশ বাধা দেয়। এতে সেখানে ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত একজন পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাও লাঞ্ছিত হন। সেখানে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি শাফিউর রহমান শফি, সেক্রেটারি তুষারকান্তি মন্ডল, যুবলীগ জেলা আহবায়ক রাশেদুন্নবী জুয়েল, মহানগর যুগ্ম আহবায়ক শাফিয়ার রহমান, ছাত্রলীগের সেক্রেটারি শেখ আসিফ।
এ সময় বক্তারা বলেন, শিবির থেকে জামায়াত নেতা শাফিউল ইসলাম শাফি জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে গ্রেফতার এড়াতে চাইছে। তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা থাকলেও তাকে গ্রেফতার করছে না। প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে। শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দেয় শহীদ মিনারকে অপবিত্র করেছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
এ ব্যাপারে কাউন্সিলর শাফির সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, আমি সিটি নির্বাচনের আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষণা দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে যাই। আমাকে জনগণ ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচন করে। কিন্তু উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার নামে দুটি নাশকতার মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করে। আমি এরশাদের আহবানে জাতীয় পাটিতে যোগ দিয়ে তৃনমুলে যখন জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি।