বিশেষ প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুরে দূর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় হত্যার হুমকী ও দুলাখ টাকার দাবী করেছে দূর্নীতিবাজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন। প্রতিকার চেয়ে ওই সাংবাদিক স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
থানার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন সভাপতির সহযোগীতা নিয়ে ওই বিদ্যালয়ের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। এ নিয়ে কমিটির সদস্যদের সাথে দ্বন্দ চলে আসছে। এ সংক্রান্ত সংবাদ তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের কারণে ওই প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময় সংবাদ কর্মীকে হুমকী দিয়ে আসছিল। এর জের ধরে গত ২৯ মার্চ সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন হিরো বিকাল সাড়ে চারটায় সৈয়দপুর শহর থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য কামারপুকুর বাজারে যাওয়া মাত্র নব-মুসলিম মার্কেটের সামনে দেখামাত্র ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন মটরসাইকেল থামিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক রাতের আধারে তার বাহিনী দিয়ে মেরে লাশ রাস্তায় ফেলে দিবে বলে হুমকী দেয়। এছাড়া সংবাদে সম্মানহানী হয়েছে বলে ক্ষতিপূরণ বাবদ দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবে বলেও হুমকী দেয়। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে আশে-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ওই প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন হিরো থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। থানার এসআই আজিজ ঘটনাস্থল তদন্তে গেলে শত শত লোক সাক্ষ্য প্রদান করেন। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার এসআই আজিজের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তদন্তে সাক্ষী প্রমানে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি তদন্তের বিষয়টি ওসি সাহেবকে জানিয়েছেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার্স ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সহিত দেখা হচ্ছে।